1. admin@nagorikexpress.com : নাগরিক এক্সপ্রেস : Nagorik Express প্রশাসন
  2. rd278591@gmail.com : Rahul Rahulrd : Rahul Rahulrd
রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নাগরিক এক্সপ্রেস পত্রিকার সাংবাদিক হিসাবে কাজ করতে হলে আজই আমাদের অনলাইন পেইজে অথবা ই-মেইল নাম্বারে অথবা আমাদের মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন প্রতিটি জেলার শহরে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।   নাগরিক এক্সপ্রেস এর বিভিন্ন জেলার সাংবাদিকদের নাম এবং পদবী। নাম: তানজির আহম্মেদ সানি রিপোর্টার: ঢাকা জেলা নাম: নোমান খান রিপোর্টার: মোহাম্মদপুর ঢাকা। নাম: ইসমাইল হোসেন রিপোর্টার:রাজশাহী জেলা নাম : মেজবাহ উদ্দিন রিফাত রিপোর্টার : মোহাম্মদপুর ঢাকা মোঃ জাহাঙ্গীর রাজীব রাজু রিপোর্টার - ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া। নাম: প্রান্ত মৃধা রিপোর্টার: নরসিংদী নামঃসাকিব হাসান প্রিয়াস প্রতিনিধিঃ কৃষি ইনস্টিটিউট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মকবুল হোসেন প্রতিনিধিঃ মিঠামইন,কিশোরগঞ্জ নাম : খালিদ সাইফুল চঞ্চল রিপোর্টার : কুষ্টিয়া জেলা নাম: এইচ এম জুয়েল রিপোর্টার: মাগুরা সদর মাগুরা জেলা নাম: আজাদ নাদভী রিপোর্টার: মুন্সিগঞ্জ জেলা নাম: ইসমাইল হোসেন রিপোর্টার:রাজশাহী জেলা নাম:মোঃইনজামামুল হক জুয়েল রিপোর্টার:সাতক্ষীরা জেলা নামঃ ফৌজি হাসান খান রিকু রিপোর্টারঃ লৌহজং উপজেলা নামঃ মুশফাকুর রহমান সিলেট জেলা প্রতিনিধি নামঃইমতিয়াজ উদ্দিন কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি    
শিরোনাম :
প্রগতি স্বরণীতে ফার্নিচারের শো-রুমে আগুন রথীন্দ্রনাথ সরকারের নতুন বই পুষ্পগন্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মদিন উপলক্ষে ভুরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্দেগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।  নাগরিক পদক্ষেপ এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ। বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন টাঙ্গাইল-২ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির। শাবিপ্রবিতে অনশনরত ১৬ শিক্ষার্থী হাসপাতালে মইনীয়া যুব ফোরাম, সোনারগাঁও এর ‘কম্বল বিতরণ কর্মসূচি ২০২২’ এর দ্বিতীয় পর্ব সম্পন্ন জেলা গোয়েন্দা শাখা রাজশাহী কর্তৃক ২০ (বিশ) গ্রাম হেরোইন সহ ০১ জন আসামী গ্রেফতার  মতলব উত্তর উপজেলা নৌযান শ্রমিকলীগের অফিস উদ্বোধন   চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবির অভিযানে ২৬ কেজি গাঁজাসহ ২জন গ্রেফতার

কাপাসিয়ার অদম্য চার জয়িতার সাফল্যের গল্প

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ২৮৩ সময় দেখা

কাপাসিয়ার অদম্য চার জয়িতার সাফল্যের গল্প

সংগ্রামী অপ্রতিরোধ্য একজন নারীর প্রতীকী নাম জয়িতা। নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের মূর্ত প্রতীক তারা। নিজের অদম্য ইচ্ছাকে সম্বল করে চরম প্রতিকূলতাকে জয় করে সমাজে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে জয়িতারা। সরকারের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এই জয়িতাদের খোঁজে বের করার উদ্যোগে নিয়েছে। যার নাম ’জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’।

কাপাসিয়া উপজেলার জয়িতাদের চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে ১. সফল জননী; ২. নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে যে নারী; ৩. সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছে যে নারী; ৪. অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জণনকারী নারী। স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তাদের বাছাই কাজে সম্পৃত ছিলেন।

১. সফল জননী যে নারী
দুই ছেলে এক মেয়ে ও স্বামী নিয়ে দুঃস্বপ্নের মতে পথ চলা শুরু। তিনি নিজেও জানতেন না এ স্বপ্নের শেষ কোথায়। প্রবল ইচ্ছা ও আগ্রাহ থাকার পরও লেখাপড়ার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। তিন সন্তানকে নিয়ে জীবন যুদ্বে নেমে পড়েন। জয়ী তাঁকে হতেই হবে। হেরে যেতে চান না জীবন যুদ্বে। সংসার চালাতে ও সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হয়েছে তাঁকে। নিজের লেখাপড়ার স্বপ্ন তিনি সন্তানের মাঝে দেখতেন তাই খরচ যোগাতে বিক্রি করেছেন চিড়া, মুড়ি ও চানাচুর। অনেক সময় কাজও করেছেন মানুষের বাসায়। এটা হচ্ছে উপজেলার বড়ছিট গ্রামের আব্দুস সাহিদ শেখের স্ত্রী জোসনা বেগমের জীবনের গল্প। এখন বড় ছেলে আলম শেখ মাস্টার্স পাশ করে স্কয়ার লিঃ কর্মরত। দ্বিতীয় ছেলে ডিগ্রি পাস করে দেশের বাহিরে লেখাপড়া করছেন। মেয়ে আফিদা ইয়াসমিন নার্সিং অধ্যায়নরত।

২. নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে যে নারী
বিয়ে হয় ১৪ বছর বয়সে। ১০ বছর সংসার করার পর সন্তান না হওয়ার কারণে স্বামী আবার বিয়ে করেন। শুরু হয় তার জীবদের কষ্ট। ফিরে আসে বাবার বাড়িতে। বাড়ির সবার অবহেলার মাঝে গবাদিপশু পালন ও সেলাই কাজ করে জীবন চলে। এটা হচ্ছে উপজেলার পাবুর গ্রামের ইয়াকুব আলী ফরাজীর মেয়ে সুফিয়ার জীবনের গল্প। এখন তার নিকট দুই লাখ টাকা রয়েছে বলে তিনি জানান।

৩. সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছে যে নারী
১৯৭১ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বিয়ে হয় অমেনার। শশুড়ের পড়ালেখার অগ্রাহ না থাকায় এসসির পর আর পড়ালেখা করা হয়নি। বেকার স্বামীর কারণে সংসার চালানোর সব দায়িত্ব ছিল তার উপর। এভাবে চলতে থাকার কিছুদিন পর বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাকে চাকরি নেন তিনি। তার পর থেকেই জীবনের দুঃখ দূর হতে থাকে। ৩০ বছর ধরে সমাজের দুঃস্থ মহিলাদের অক্ষর জ্ঞার প্রদান করে আসছে আমেনা। নির্যাতিত মহিলাদের আইনের আওতায় এনে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করছে। সঠিক চিকিৎসার জন্য মাতৃকেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে। আমেনা বেগম উপজেলার চিনাডুলী গ্রামের আ. রশিদের স্ত্রী।

৪. অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জণ করেছে যে নারী
পরিবারের অর্থিক অবস্থা খারাপ থাকার কারণে পড়া লেখা বেশি করতে পারেনি জহুরা বেগম। ১৫ বছর বয়সে বিয়ে হয়। তিনি ছিলেন বাড়ির বড় বউ। তখন তার দায়িত্ব ছিল অনেক বেশি। তিনি তিন সন্তান ও বেকার স্বামীকে নিয়ে চরম বিপাকে পড়লেন। স্বামী অর্থিক ভাবে তেমন স্বাবলম্বী না থাকায় সংসারের হাল তাকেই ধরতে হয়। তারপর তিনি হোমিও ওষধের শিশি কারখানা তৈরি করেন। পরবর্তীতে পোল্ট্রি ফার্মের মাধ্যমেতার জীবনের চাকা ঘুরে যায়। জহুরা বেগম উপজেলার আনজাব গ্রামের মোজ্জাম্মেল হকের স্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো সংবাদ
© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর
Theme Customized By Theme Park BD