1. admin@nagorikexpress.com : নাগরিক এক্সপ্রেস : Nagorik Express প্রশাসন
  2. rd278591@gmail.com : Rahul Rahulrd : Rahul Rahulrd
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নাগরিক এক্সপ্রেস পত্রিকার সাংবাদিক হিসাবে কাজ করতে হলে আজই আমাদের অনলাইন পেইজে অথবা ই-মেইল নাম্বারে অথবা আমাদের মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন প্রতিটি জেলার শহরে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।   নাগরিক এক্সপ্রেস এর বিভিন্ন জেলার সাংবাদিকদের নাম এবং পদবী। নাম: তানজির আহম্মেদ সানি রিপোর্টার: ঢাকা জেলা নাম: নোমান খান রিপোর্টার: মোহাম্মদপুর ঢাকা। নাম: ইসমাইল হোসেন রিপোর্টার:রাজশাহী জেলা নাম : মেজবাহ উদ্দিন রিফাত রিপোর্টার : মোহাম্মদপুর ঢাকা মোঃ জাহাঙ্গীর রাজীব রাজু রিপোর্টার - ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া। নাম: প্রান্ত মৃধা রিপোর্টার: নরসিংদী নামঃসাকিব হাসান প্রিয়াস প্রতিনিধিঃ কৃষি ইনস্টিটিউট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মকবুল হোসেন প্রতিনিধিঃ মিঠামইন,কিশোরগঞ্জ নাম : খালিদ সাইফুল চঞ্চল রিপোর্টার : কুষ্টিয়া জেলা নাম: এইচ এম জুয়েল রিপোর্টার: মাগুরা সদর মাগুরা জেলা নাম: আজাদ নাদভী রিপোর্টার: মুন্সিগঞ্জ জেলা নাম: ইসমাইল হোসেন রিপোর্টার:রাজশাহী জেলা নাম:মোঃইনজামামুল হক জুয়েল রিপোর্টার:সাতক্ষীরা জেলা নামঃ ফৌজি হাসান খান রিকু রিপোর্টারঃ লৌহজং উপজেলা নামঃ মুশফাকুর রহমান সিলেট জেলা প্রতিনিধি নামঃইমতিয়াজ উদ্দিন কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি    

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় শেখ হাসিনা আমি মোঃ দেলোয়ার হোসেন 

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২২
  • ৫৩ সময় দেখা

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় শেখ হাসিনা।

আমি মোঃ দেলোয়ার হোসেন

পিতাঃমৃত হাসান আলী সরকার

গ্রামঃ বলিভদ্র।

উপজেলাঃ ধনবাড়ী।

জেলাঃ টাংগাইল।

মোবাঃ 01764578150,

আমি বাঙ্গালী, আমি মুসলমান আমি একজন আওয়ামীলীগার।

জন্মের পর একটু বুঝমান হয়ে সর্ব প্রথম ভালোবেসেছি মা’কে,, শিশুকাল শেষ করে পদার্পণ করলাম কৈশোরে

প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শেষ করে যখন উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি হই, তখন থেকে ধীরে ধীরে চিনতে আরাম্ব করলাম, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যেখানে দেখিছি বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস ঐতিহ্যের কথা আলোচনা হচ্ছে সেখানেই পাগলের মত ছুটে গেছি, পড়েছি বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস ঐতিহ্যের কথা, বঙ্গবন্ধুর সে ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের ঐতিহাসিক ভাষন আজো আমি প্রতিনিয়ত শুনি, বার বার শুনি হাজার বার শুনি হয়তো আজীবনি শুনবো, ধারণা করি হয়তো বঙ্গবন্ধুকে খুব বেশীই ভালোবাসি তাই হয়তো।

 

বঙ্গবন্ধু কন্যার প্রতি নতুন করে ভালোবাসার কথা বলতে চাইনা, শুধু অতুটুকুই বলবো ২০০১ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি তখন চট্রগ্রামের একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতাম, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমি চাকরিটি ছেড়ে দিয়ে চলে এসেছিলাম আমার গ্রামে বলিভদ্র, (ধনবাড়ী, টাংগাইল) নির্বাচন করেছি বঙ্গবন্ধুর মার্কা আওয়ামী লীগ এর মার্কা শেখ হাসিনার মার্কা নৌকা মার্কার। এবং আমাদের ধনবাড়ী ও মধুপুরের মাটি ও মানুষের নেতা বর্তমান আওয়ামিলীগ এর অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় কৃষি মন্ত্রী আমার নেতা ডঃ আব্দুর রাজ্জাক এমপিকে নৌকা প্রতিকে বিজয় অর্জন করিয়ে ছিলাম, কিন্তু আমার মা মানবতার মা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসতে পারেন নাই, যার ফলে বিএনপি জামাত জোট সরকারের গুন্ডা সন্ত্রাস বাহিনীর দ্বারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি বাড়িতে থাকতে পারিনি, অনেক দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলতে হচ্ছে বর্তামান হাইব্রিডদের, আমরা যখন নৌকার পক্ষে কাজ করতে গিয়ে রাজপথে মার খেয়েছি তখন ফেজবুক আর ছবির রাজনিতী ছিলো না, থাকলে হয়তো দেখাতে পারতাম।

 

২০০১এর নির্বাচনের পরে গ্রামে থাকতে পারিনি আবার চলে গিয়েছিলাম সেই পার্বত্য চট্টগ্রামে, অনেক কষ্ট বুকে চেপে রেখে ভেবেছিলাম বঙ্গবন্ধু কন্যাতো আর ক্ষমতায় আসতে পারে নাই? যখন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসবে তখন নিজের এলাকায় গিয়ে ভালো একটা পজিশনে থাকব,

 

গ্রামে আসি নাই দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর। হঠাৎ মায়ের অসুস্থতার সংবাদ পেয়ে মাকে দেখতে এসেছিলাম 6দিন থেকে আবার চলে যাই কর্ম সংস্থানেরদিগে,

তার পর যখন আসলো ২০০৮এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন, চলে আসলাম গ্রামে তখনো নিজের উপার্জিত অর্থ ব্যয় করেই বঙ্গবন্ধু কন্যার নির্বাচন করেছিলাম, কখনো আমাদের নেতা ডঃ আব্দুর রাজ্জাক এমপি সাহেবের কাছে একটি টাকাও চাইনি,,যাইহোক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেখিয়ে দিলেন আমরা বঙ্গবন্ধু কন্যাকেই চাই, আমার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নও পূরণ হলো আমাদের মা, বাংলার মা, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়।

 

কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মমপরিহাস মারও খেলাম নিজের উপার্জিত অর্থও খরচ করলাম শত ত্যাগ শিকার করলাম, অথচ আমাদের জন নেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসলো ঠিকি, শুধু হারিয়ে গেলো আমাদের মত শত দেলোয়ার, বার বার চেষ্টা করেছি একটা কর্মসংস্থানের জন্য কেউ আমাকে একটা চাকরি দেয় নাই, কেউ আমাকে কোন সুযোগ সুবিধা দেয় নাই কেউ আমার খোঁজ নেয় নাই, হাইরে স্বার্থপর দুনিয়া, তখন অনেক নেতার কাছে গিয়েছি অনেকের দ্বারেদ্বারে গিয়েছি ছোট্র একটি চাকরির দাবি নিয়ে, কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো আমাকে কেউ পাত্তা দেয়নি, দেয়নি কেউ একটু আশ্রয়।

 

দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলতে হচ্ছে, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে আজ ত্যাগিদের মূল্য নেই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে ত্যাগিরা নিঃস্বার্থ আওয়ামী লীগ কর্মীরা আজ অপমানিত অবহেলিত বঞ্চিত আর লাঞ্চিত, আসলে আমি দেলোয়ার হোসেন কোনদিন বড় নেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখি নাই, স্বপ্ন দেখিছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন খাটি কর্মী হতে, আর সারাজীবন বঙ্গবন্ধু ফ্যামিলিকে নিঃস্বার্থ ভাবে ভালোই বেসে গেলাম, আর আজীবনি বাসবো।

 

যাইহোক যেটা বলতেছিলাম, কারো কাছে আশ্রয় না পেয়ে, শেষে আমার মা আমাকে ৫শ টাকার নোট বের করে দিয়ে বলল, এই নে বাবা ৫শ টাকা অনেক কষ্ট করে জমিয়ে রাখছিলাম, এটা নিয়ে তুই ঢাকায় যা, তখন অশ্রুসিক্ত হয়ে মায়ের দোয়া নিয়ে ঢাকায় গিয়েছিলাম, সেখানে অনেক খোজার পর ছোট্র একটি চাকরি পেয়েছিলাম আর সেই চাকরিই করলাম দীর্ঘদিন,।

 

আসলো ২০১৪এর নির্বাচন। ভাবছিলাম কোনদিন আর নির্বাচনে কারো কর্মী হবোনা। কিন্তু থাকতে পারিনি কারণ সত্যি খুব বেশীই ভালোবাসি আওয়ামী লীগকে বঙ্গবন্ধুকে, শেখ হাসিনাকে, তাই ছুটে এসেছিলাম গ্রামে।

 

গত বারের মত আর কারো কাছে না গিয়ে আমার নির্দিষ্ট কর্মক্ষেত্রে ঢাকায় চলে যাই,, ঢাকায় থেকেও রাজনিতী করেছি,,২০১৮এর নির্বাচনে চাকরি বাদ দিয়ে নৌকার নির্বাচন করেছি, আমাকে এক বিএনপির সন্ত্রাস বলেছিলো, দেলোয়ার তোকে খুন করবো, প্রতিউত্তরে বলেছিলাম আমি আওয়ামী লীগএর একজন নিবেদিত প্রাণ আমি আওয়ামী লীগ এর জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত, বঙ্গবন্ধুর জন্য শেখ হাসিনার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত।

 

তখন জায়গায় জায়গায় নৌকার মিটিং করেছি নিজের টাকা খরচ করে, হাইব্রিডরা আমাদের নেতা ডঃ আব্দুর রাজ্জাক এমপি মহোদয় এর কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা করে নিছে, কিন্তু আমি দেলোয়ার হোসেন, নিজের টাকা খরচ করে মিটিং এ গেছি,।

 

দুঃখের কথা, ধনবাড়ী উপজেলার ১নং বীরতারা ইউনিয়নে নৌকা মার্কার বিশাল এক আলোচনা সভা ছিলো, আমার কাছে তখন এক টাকাও ছিলোনা তখন আমার বলিভদ্র বাজারের একজন চায়ের দোকানদারের কাছ থেকে একশ টাকা ধার করে আমি মিটিংয়ে গেছিলাম,,,

এভাবে আরো অনেক দুঃখের কাহিনি রয়েছে, বলিভদ্র ইইউনিয়ন এর পানকাতা গ্রামে নৌকার মিটিংএ গিয়েছি পায়ে হেটে,, কিন্তু কারো কাছে একটি টাকাও চাইনি,,,

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলার ১৮কোটি জনগণের অভিবাবক আপনার কাছে আমার প্রশ্ন? আমিকি আপনার জন্য আপনার প্রিবারের জন্য কিছুই করিনি?

আমারকি কোন অবদান নেই? যদি থাকে তাহলে আমি আপনাকে বলব, আমি আওয়ামী লীগ কর্মী দেলোয়ার হোসেন আজো ব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো সংবাদ
© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর
Theme Customized By Theme Park BD