1. admin@nagorikexpress.com : নাগরিক এক্সপ্রেস : Nagorik Express প্রশাসন
  2. allmohiminulkhan@gmail.com : Khan allmohiminulkhan : Khan allmohiminulkhan
  3. khalidsyful@gmail.com : syful Khalid : syful Khalid
  4. abukawsirahmed638@gmail.com : Abu Kawsar : Abu Kawsar
  5. abdullahyeasir@gmail.com : MASUD Alom : MASUD Alom
  6. mizanbd@gmail.com : Mizan Khan : Mizan Khan
  7. nayemk255@gmail.com : Nayem Nayem : Nayem Nayem
  8. dailydhakartime@gmail.com : Nayim Khan : Nayim Khan
  9. hasan145nazmul@gmail.com : Tarak : Tarak Sarkar
  10. rd278591@gmail.com : RA Rahul : RA Rahul
  11. cablew742@gmail.com : Sojal Mia : Sojal Mia
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন

টাংগাইলে পাহাড় ও ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের মাইকিং

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৭৫ সময় দেখা

মোঃ মেহেদী হাসান ফারুক টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি –

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন লাল মাটির পাহাড় ও ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে মাইকিং শুরু করেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানার বিধানের নির্দেশনা প্রদান করে শনিবার(২৫ জানুয়ারি) থেকে উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে একযোগে এই মাইকিং কার্যক্রম চলছে।জানাগেছে, ঘাটাইল উপজেলার মোট ৪৫১.৩০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের একতৃতীয়াংশই পাহাড়ি অঞ্চল। এরই মধ্যে ৬০টি ইটভাটা গড়ে ওঠেছে। জিগজ্যাগ পদ্ধতিতে তৈরি করা এসব ভাটার সবগুলোই ফসলি জমির উপর স্থাপন করাপ হয়েছে। ইটভাটা স্থাপন, অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন, নতুন ঘরবাড়ি নির্মাণসহ বিভিন্নভাবে ২-৩ ফসলি জমি হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে ইটের কাঁচামাল হিসেবে ফসলি জমির উর্বর মাটি(টপ সয়েল) ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে ঘাটাইল উপজেলার আবাদী জমির পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে, ইটভাটার মৌসুম শুরু হলে মাটির বেচা-কেনার প্রতিযোগিতা চলে। এক বিঘা জমির মাটি বিক্রি করে অভাবী কৃষক ২-৩ লাখ টাকা পান। অনেকেই অর্থের লোভে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করছেন। এসব অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন উপজেলায় মাইকিং শুরু করেছে।ইটভাটা মালিক সূত্রে জানা যায়, জিগজ্যাক পদ্ধতিতে একটি ভাটা করতে গেলে সর্বনিম্ন ১০ একর জমির প্রয়োজন হয়। অর্থ্যাৎ ৬০ টি ভাটা স্থাপনে প্রায় ৬০০একর ফসলি জমি ইটভাটার পেটে চলে গেছে। ভাটাগুলোর খোরাক জোগাতে ক্রমেই কমে যাচ্ছে ফসলি জমির উর্বর মাটি(টপ সয়েল)। বছরে একটি ভাটা ৫০ থেকে ৬৫ লাখ ইট পোড়ায়। এক ইটভাটার ম্যানেজার জানান, তিন বিঘা জমিতে ৯ থেকে ১০ ফুট গর্ত করে পাওয়া মাটি দিয়ে এক মৌসুমের কাজ চলে।ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, পাহাড় কাটা ও ফসলি জমির মাটি কাটার বিষয়টি গুরত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। মাটি কাটা বন্ধে সবার সহযোগিতা লাগবে। যেখান থেকেই মাটি কাটার খবর আসবে সেখানেই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে জরিমানা এবং সাজা প্রদান করা হবে।স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার জানান, উপরিভাগের মাটি কাটার ফলে জমি তার উর্বরতা হারাচ্ছে। এ কাজ অব্যাহত থাকলে জমিতে ফসল উৎপাদন কম যাবে। ঘাটাইলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো সংবাদ
© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর
Theme Customized By Theme Park BD
error: Content is protected !!