1. admin@nagorikexpress.com : নাগরিক এক্সপ্রেস : Nagorik Express প্রশাসন
  2. rd278591@gmail.com : Rahul Rahulrd : Rahul Rahulrd
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০২:২১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নাগরিক এক্সপ্রেস পত্রিকার সাংবাদিক হিসাবে কাজ করতে হলে আজই আমাদের অনলাইন পেইজে অথবা ই-মেইল নাম্বারে অথবা আমাদের মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন প্রতিটি জেলার শহরে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।   নাগরিক এক্সপ্রেস এর বিভিন্ন জেলার সাংবাদিকদের নাম এবং পদবী। নাম: তানজির আহম্মেদ সানি রিপোর্টার: ঢাকা জেলা নাম: নোমান খান রিপোর্টার: মোহাম্মদপুর ঢাকা। নাম: ইসমাইল হোসেন রিপোর্টার:রাজশাহী জেলা নাম : মেজবাহ উদ্দিন রিফাত রিপোর্টার : মোহাম্মদপুর ঢাকা মোঃ জাহাঙ্গীর রাজীব রাজু রিপোর্টার - ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া। নাম: প্রান্ত মৃধা রিপোর্টার: নরসিংদী নামঃসাকিব হাসান প্রিয়াস প্রতিনিধিঃ কৃষি ইনস্টিটিউট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মকবুল হোসেন প্রতিনিধিঃ মিঠামইন,কিশোরগঞ্জ নাম : খালিদ সাইফুল চঞ্চল রিপোর্টার : কুষ্টিয়া জেলা নাম: এইচ এম জুয়েল রিপোর্টার: মাগুরা সদর মাগুরা জেলা নাম: আজাদ নাদভী রিপোর্টার: মুন্সিগঞ্জ জেলা নাম: ইসমাইল হোসেন রিপোর্টার:রাজশাহী জেলা নাম:মোঃইনজামামুল হক জুয়েল রিপোর্টার:সাতক্ষীরা জেলা নামঃ ফৌজি হাসান খান রিকু রিপোর্টারঃ লৌহজং উপজেলা নামঃ মুশফাকুর রহমান সিলেট জেলা প্রতিনিধি নামঃইমতিয়াজ উদ্দিন কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি    
শিরোনাম :

বদর দিবস: ইসলামের ঐতিহাসিক যুদ্ধ ও আল্লাহর সাহায্য

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১০ মে, ২০২০
  • ২৫০ সময় দেখা

—- আবুল হাসান হাশেম।

১৭ই রমজান থেকে প্রায় কয়েক শত বছর আগের এই দিনে সংঘটিত হয় ইসলামের ইতিহাসের এক ঐতিহাসিক যুদ্ধ, বদরের যুদ্ধ। মহাগ্রন্হ আল-কুরআনে এ যুদ্ধকে অভিহিত করা হয়েছে ইয়াওমূল ফুরক্বান না ফয়সালাকারী দিন হিসেবে। এ যুদ্ধে মুসলমানরা সংখ্যায় অনেক কম হয়েও মক্কার কাফির শক্তিকে পরাজিত করে, যার মাধ্যমে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য ঘটে। এ কারণে বদরের যুদ্ধকে সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী বলা হয়।

বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় মদীনায় হিজরতের মাত্র ১ বছর ৬ মাস ২৭ দিন পরে। এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে কুরায়েশরা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে মদীনা থেকে বের করে দেবার জন্য নানাবিধ অপচেষ্টা চালায়। যেমনভাবে তারা ইতিপূর্বে হাবশায় হিজরতকারী মুসলমানদের সেখান থেকে বের করে দেবার ষড়যন্ত্র করেছিল। কিন্তু সেখানে তারা ব্যর্থ হয়েছিল।

অবশ্য কুরাইশ কাফিরদের বাণিজ্য কাফিলাকে বাধা দেয়ার লক্ষ্যে ও তাদের সম্পদ আটকের জন্যই মুসলিম মুজাহিদ বাহীনি বিশ্বনবী (সা:) এর নেতৃত্বে মদীনা থেকে বেরিয়ে আসেন। কাফিররা মক্কায় মুসলমানদের অনেক সম্পদ আটক করে রেখেছিল। তাই এ ধরনের হামলার অধিকার মুসলমানদের ছিল। তবে বড় ধরনের কোনো যুদ্ধ হবে বলে মুসলমানদের কেউই ভাবেননি এবং সে জন্য প্রস্তুতিও ছিল না। কিন্তু কুরাইশ কাফিরদের শীর্ষস্থানীয় নেতা আবু সুফিয়ান তার বাণিজ্য কাফিলার ওপর মুসলমানদের হামলার প্রস্তুতির খবর জানতে পেরে সেই খবর মক্কার কাফিরদের জানালে অনেক কাফির নেতা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। ফলে তারা একটি সুসংগঠিত যুদ্ধের আয়োজন করে এবং মুসলমানরাও মহানবীর (সা:) নেতৃত্বে কাফিরদের মোকাবেলা করতে বাধ্য হন।

এ যুদ্ধে মুসলিম মুজাহিদদের সংখ্যা মাত্র ৩১৩ জন হওয়া সত্ত্বেও তারা মক্কার সুসজ্জিত প্রায় এক হাজার কাফিরের ওপর বিজয়ী হয়েছিলেন। মহান আল্লাহর অদৃশ্য সাহায্য হওয়াতে তা সম্ভব হয়েছে। এ যুদ্ধে কাফির বাহিনীর ৭০ জন মুজাহিদদের হাতে নিহত এবং তাদের ৭০ জন মুসলিম বাহিনীর হাতে বন্দী হয়।
এ যুদ্ধে মুশরিক বাহিনীর ২৪ জন সর্দার মারা যান। এ যুদ্ধে ২ জন আনসার কিশোর সহোদর হযরত মাআজ (রা.) ও হযরত মুআজ (রা.) আবু জেহেলকে হত্যা করেন। সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসাউদ (রা.) আবু জেহেলের মাথা কেটে বিশ্বনবী হয়রত মুহাম্মদ (সা.)-এর নিকট হাজির করেছিলেন।

মুশরিক বাহিনীর ৭০ জন নিহত এবং ৭০ জন বন্দী হয়েছিলেন। আর এরা ছিল গোত্রসমূহের সর্দার এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি। এ জেহাদে ইসলাম ও রাসূল (সা.) এর চরম ১৪ জন শক্রর মধ্যে আবু জেহেল, উৎবা ও শায়বাসহ ১১ জনই জাহান্নামে পৌঁছে যায়। যুদ্ধ শেষে বদর প্রান্তরে নিয়ম অনুযায়ী ৩ দিন অবস্থান শেষে চতুর্থ দিনে রাসূল (সা:)মদিনার পথে যাত্রা করেছেন। এ সময় তাঁর সাথে ছিল বন্দী কোরায়েশগণ এবং গণীমতের মালামাল। আর এসবের তত্ত্বাবধানে ছিলেন হযরত আবদুল্লাহ ইবনে কা’ব (রা.)। রাসুল (সা.) ছাফরা প্রান্তরে কাফের বাহিনীর পতাকা বহনকারী নযর ইবনে হারেসকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
অন্যদিকে মুসলিম বাহিনীর ১৪ জন শাহাদত বরণ করেন। মুসলমানদের পক্ষে এই যুদ্ধের প্রধান বীর ছিলেন আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী (রা:)। তিনি একাই ৩৬ জন কাফিরকে হত্যা করেছিলেন।

বদর যুদ্ধের গুরুত্ব :
বদর যুদ্ধ ছিল হক ও বাতিলের পার্থক্যকারী অথচ একটি অসম যুদ্ধ। ইসলামের টিকে থাকা না থাকার ফায়সালাকারী যুদ্ধ। কেননা একটি সুসজ্জিত এবং সংখ্যায় তিনগুণ অধিক ও প্রশিক্ষিত সেনাদলের সাথে অপ্রস্ত্তত, অসজ্জিত এবং সংখ্যায় তিনগুণ কম এবং বাস্তু ভীঠা হারা মুহাজির ও
আনছারদের এ যুদ্ধে জয় লাভ ছিল এক অকল্পনীয় ব্যাপার। এ কারণেই এ যুদ্ধের দিনটিকে পবিত্র কুরআনে ‘ইয়াওমুল ফুরক্বান’ বা কুফর ও ইসলামের মধ্যে ‘ফায়ছালাকারী দিন’ (সুরা আনফাল:আয়াত নং ৪১) বলে অভিহিত করা হয়েছে ।

বদরের যুদ্ধ ছিল কাফেরদের মূল কর্তনকারী ও সত্যকে প্রতিষ্ঠা দানকারী। বদর যুদ্ধ ছিল মুসলিম ও মুশরিকদের মধ্যে সর্বপ্রথম মুখোমুখি সশস্ত্র যুদ্ধ, যে যুদ্ধে বিজয়ের ফলে মুসলমানদের শক্তি ও সাহস বৃদ্ধি পায়। দলে দলে লোকেরা ইসলামে প্রবেশ করতে থাকে। এমনকি মুনাফিক নেতা আব্দুল্লাহ প্রকাশ্যে ইসলাম কবুলে বাধ্য হয়। এছাড়া এ যুদ্ধের পরে কাফের সমাজে এমন আতংক প্রবেশ করে যে, তারা আর কখনো বিজয়ের মুখ দেখেনি।

বদরের যুদ্ধের বিজয় ছিল মক্কা বিজয়ের সোপান স্বরূপ। এই সময় শা‘বান মাস থেকে কা‘বার দিকে কিবলা পরিবর্তিত হয় এবং বদর যুদ্ধের মাত্র ছয় বছর পরেই ৮ম হিজরীর ১৭ই রামাযান তারিখে মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে যা পূর্ণতা লাভ করে।

বদর যুদ্ধের শিক্ষা
ধৈর্য্যের শিক্ষা – মক্কায় পরিবেশ প্রতিকূলে থাকায় সেখানে সশস্ত্র যুদ্ধের অনুমতি দেওয়া হয়নি। পক্ষান্তরে মদীনায় পরিবেশ অনুকূলে থাকায় এবং এখানে সবাই রাসূলের নেতৃত্ব মেনে নিতে মৌখিক ও লিখিতভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার ফলে মুসলমানেরা চালকের আসনে থাকায় রাসূলকে সশস্ত্র যুদ্ধের অনুমতি দেওয়া হয়। এতে বুঝা যায় যে, বিজয়ের সম্ভাবনা ও পরিবেশ না থাকলে ও যুদ্ধের ঝুঁকি না নিয়ে ছবর করতে হবে। যেমনটি মাক্কী জীবনে করা হয়েছিল।

বিনা কারণে যুদ্ধের অনুমতি নেই – বদরের যুদ্ধ ছিল মূলতঃ আত্মরক্ষামূলক। আবূ জাহলকে বদরে মুকাবিলা না করলে সে সরাসরি মদীনায় হামলা করার দুঃসাহস দেখাত। যা ইতিপূর্বে তাদের একজন নেতা কূরয বিন জাবের ফিহরী সরাসরি মদীনার উপকণ্ঠে হামলা করে গবাদিপশু লুটে নেবার মাধ্যমে জানিয়ে গিয়েছিল। এতে বুঝা যায় যে, আত্মরক্ষা এবং ইসলামের স্বার্থ ব্যতীত অন্য কোন কারণে কাফেরদের সাথে সশস্ত্র যুদ্ধের অনুমতি নেই।

আল্লাহর সাহায্যই সবচেয়ে বড় সাহায্য –
সংখ্যা ও যুদ্ধ সরঞ্জামের কমবেশী বিজয়ের মাপকাঠি নয়। বরং আল্লাহর উপরে দৃঢ় ঈমান ও তাওয়াক্কুল হ’ল বিজয়ের মূল হাতিয়ার। পরামর্শ সভায় কয়েকজন ছাহাবী বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে যুদ্ধ না করে ফিরে যাবার পরামর্শ দিলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আয়াত নাযিল করেন (সুরা আনফাল: আয়াত নং ৫-৬)। এতে বুঝা যায়, আল্লাহর গায়েবী মদদ লাভই হ’ল বড় বিষয়। শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যুদ্ধে নামলে আল্লাহ স্বীয় ফেরেশতা মন্ডলী পাঠিয়ে সরাসরি সাহায্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো সংবাদ
© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর
Theme Customized By Theme Park BD
error: Content is protected !!