1. admin@nagorikexpress.com : নাগরিক এক্সপ্রেস : Nagorik Express প্রশাসন
  2. allmohiminulkhan@gmail.com : Khan allmohiminulkhan : Khan allmohiminulkhan
  3. khalidsyful@gmail.com : syful Khalid : syful Khalid
  4. abukawsirahmed638@gmail.com : Abu Kawsar : Abu Kawsar
  5. abdullahyeasir@gmail.com : MASUD Alom : MASUD Alom
  6. mizanbd@gmail.com : Mizan Khan : Mizan Khan
  7. nayemk255@gmail.com : Nayem Nayem : Nayem Nayem
  8. dailydhakartime@gmail.com : Nayim Khan : Nayim Khan
  9. hasan145nazmul@gmail.com : Tarak : Tarak Sarkar
  10. rd278591@gmail.com : RA Rahul : RA Rahul
  11. cablew742@gmail.com : Sojal Mia : Sojal Mia
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুর জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার স্মারক সম্মাননা পেলেন জনাব মোঃ ইউসুফ আলী শেখ। এক ম্যাচেই রেকর্ড করলো সালাহ ও মানে লিভারপুলের হয়ে অভষেক কোনাতের মতলব উত্তরে ইয়াবা সহ গ্রেফতার – ১ সিরাজদিখানে ইউপি সদস্য পদ প্রার্থীর উঠান বৈঠক  জবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাকতার নামে ঘুষ নেয়া,ভাউতাবাজি, চাঁদাবাজি ও প্রতারণার স্বীকার হচ্ছে নরসিংদীবাসি সিলেট-জকিগঞ্জ সড়ক দূর্ঘটনায় বিয়ানীবাজারের দুজন নিহত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিতে ফিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । জিয়া কারাগারে কত মানুষ হত্যা করেছে তা খুঁজে বের করুন: সংসদ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যান গ্রেফতার

শীতকালে লাগাম ছাড়া বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম, দেখার কেউ নেই

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২৩৯ সময় দেখা

শীতকালে লাগাম ছাড়া বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম,দেখার কেউ নেই

নাগরিক এক্সপ্রেস ডেস্কঃ

শীতকালে সবসময় সবজিসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম কম থাকে। এবারও তাই থাকার কথা, বাজারেও কোন জিনিসের কমতি নেই। কিন্তু মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভ করার কারণে লাগামহীন ভাবে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। জানা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। শুধু কি পেঁয়াজ, ভরা মৌসুমেও নাগালের বাইরে সবজির দাম। রোববার (৮ ডিসেম্বর) কাওরানবাজারে কথা প্রসঙ্গে রহমান নামের একজন ক্রেতা জানালেন, বর্তমানে যেভাবে বাজার ব্যবস্থা চলছে তা এক কথায় নিয়ন্ত্রণহীন। হিসাব করে এখন আর পণ্য কেনা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়ছে। ফলে কিনতে হচ্ছে প্রয়োজনের তুলনায় কম কিংবা অন্যের পণ্যের সঙ্গে কাটছাঁট করে মিলাতে হচ্ছে হিসাব।

পেঁয়াজ নিয়ে সরকার তৎপর থাকলেও দাম এখনও ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। সরকারি হিসাবেই গেল এক বছরে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৬৫৩ শতাংশ। আর আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫০০ শতাংশ। দাম বৃদ্ধির এমন উলম্ফনে নাভিশ্বাসে ক্রেতারা। রাজধানীর খুচরা বাজারে রোববার প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়। এছাড়া আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক হিসাবে জানিয়েছে, ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে ৪ হাজার ১৫৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফ হয়ে দেশে এসেছে ১ হাজার ২২৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর হয়ে এসেছে ২ হাজার ৯৩২ মেট্রিক টন পেঁয়াজ। এগুলোর মধ্যে মিয়ানমার থেকে ১ হাজার ২২৭ মেট্রিক টন, চীন থেকে ৩৮৪ মেট্রিক টন, মিসর থেকে ৮৪ মেট্রিক টন এবং তুরস্ক থেকে ২ হাজার নিয়ন্ত্রণহীন বাজার।

ধানমন্ডির একটি বাজারে বাজার করতে আসা আসিফ রহমান জানান, দীর্ঘ সময় ধরেই অস্থিতিশীল বাজার দর। সরকারের পক্ষ থেকে নানা কথা বলা হলেও বাস্তবে এর কোনো প্রতিফলন নেই। এখনও বাড়তি দামেই পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন ভরা সবজির মৌসুম। নতুন নতুন সবজিও আসছে বাজারে। কিন্তু দাম নাগালের বাইরে। বাজারে ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। যেখানে এক সপ্তাহ আগেও কেনা যেত ২০ থেকে ২৫ টাকায়। লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। বিভিন্ন ধরনের শাকের মধ্যে পালং শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। লাল শাক বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। লাউ শাক ৩০ টাকা আঁটি। ডাঁটা শাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা আঁটি।

বাজারে বিভিন্ন ধরনের মশলার দাম বৃদ্ধির চিত্র দেখাচ্ছে সরকারের প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। তাদের হিসাবে গেল এক মাসে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৪২ শতাংশ। আর আমদানি বা মানভেদে বিভিন্ন পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ২৮ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০০ শতাংশের কাছে। পেঁয়াজের দাম দৃশ্যমান হলেও মানভেদে বিভিন্ন মশলার দাম বৃদ্ধিও থেমে নেই।

টিসিবির হিসাব বলছে, গেল এক বছরে রসুনের দাম বেড়েছে ১৬৭ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছর আগে যে রসুন ক্রেতা ক্রয় করতেন ৪০ থেকে ৮০ টাকায়, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায়। দেশি রসুন মানভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা এক বছর আগে বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। এ হিসাবে রসুনের দাম এক বছরে বেড়েছে ২৪০ শতাংশ। আমদানি করা রসুনেও একইভাবে দাম বেড়েছে ১১৪ শতাংশ। শুকনো মরিচের দাম এক বছরে বেড়েছে ২৫ শতাংশ। আর গেল এক মাসে বেড়েছে ১৭ শতাংশ। বর্তমানে শুকনো মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি। যেখানে এক বছর আগে বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকায়।

নতুন করে চালের বাজারে দাম বৃদ্ধি নতুন আতঙ্ক তৈরি করেছে ভোক্তাদের মধ্যে। রোববার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে মিনিকেট প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৫২ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। কেজি প্রতি দুই টাকা দাম বেড়ে নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৫৬ থেকে ৫৮ টাকায়। তবে সুগন্ধি চাল কেজি প্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো সংবাদ
© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর
Theme Customized By Theme Park BD
error: Content is protected !!