1. admin@nagorikexpress.com : admin :
শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৩:২০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.
শিরোনাম :
যাত্রা শুরু করলো ইনোকপ গ্লোবাল টেকনোলোজী লিঃ নাগরপুরে কাভারভ‌্যা‌ন ও ই‌জিবাই‌কের সংর্ঘষ নাগরপুরে ঝাঁকজমক পূর্ণ ফুটবল ম্যাচ জিতে ফাইনালে চাঁন চেয়ারম্যান ফুটবল একাডেমি সবাইকে শারদীয় দূর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন:-কামরুল হাসান রিপন। ২ বছর আগে ছেলের মা হন বুবলি বাবা শাকিব খান….! শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন :- আব্দুর রাহিম সরকার। প্রতারণার অভিযোগে গীতিকার সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী জে কে মজলিস গ্রেফতার। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমগ্র দেশে আজ উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে:- ছাত্রলীগ নেতা কাউসার। শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানান :- আমিনুল ইসলাম আমিন শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানান :- রতন।

পানি শুকিয়ে ভারতের বিহারে ভেসে উঠলো,১২০বছরের প্রাচীন মসজিদ

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৯ বার পঠিত

৩০বছরের বেশি পানির নিচে থাকলেও,
তাতে মসজিদের কোন ক্ষতি হয়নি।
আল্লাহু আকবার।

বিহারের নওয়াদা জেলার অন্তর্গত হলদিয়া গ্রামে একটা পুরানো নদী ছিল, যেটা শুকিয়ে যাওয়ার পরে সেখানে এই মসজিদটা দেখতে পাওয়া যায়।

মসজিদটি ১২০ বছর পুরানো। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে পানির নিচে থাকলেও তাতে মসজিদের কোনো ক্ষতি হয়নি। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

স্থানীয় প্রবীণরা জানান, মসজিদটি বিংশ শতকের প্রথমদিকে নির্মিত হয়। মোগল রীতিতে নির্মিত মসজিদটির বয়স এখন প্রায় ১২০ বছর। স্থানীয়রা এ মসজিদের নাম দিয়েছিল নুরি মসজিদ। মাটি থেকে গম্বুজ পর্যন্ত মসজিদের উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট।

১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে এখানে ফুলওয়ারিয়া ড্যাম নির্মাণ শুরু হয়। সে সময় এই এলাকায় প্রচুর মুসলমান বসবাস করতেন। এ মসজিদে তারা নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন। কিন্তু সরকার বাঁধ নির্মাণ শুরু করলে মুসলমানদের এই জায়গা ছেড়ে উঠে যেতে হয়। সরকার পুরো জায়গাটি অধিগ্রহণ করে গ্রামবাসীকে অন্য একটা গ্রামে স্থানান্তরিত করে। বাঁধ নির্মাণের সময় প্রয়োজন না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ মসজিদটির কোনো ক্ষতি করেনি।

বর্তমানে বাঁধের পানি শুকিয়ে গেলেও পুরো এলাকা কাদাময় হয়ে আছে। কিন্তু এরমধ্যে কৌতূহলী মুসলিমরা কাঁদা মাড়িয়ে মসজিদে প্রবেশ করেন। তারা দেখতে পান মসজিদটি পুরোপুরি অক্ষত রয়েছে! কয়েক দশক ধরে ডুবে থাকলেও কাঠামোর সামান্যতম ক্ষতি হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর
Theme Customized By Shakil IT Park