1. admin@nagorikexpress.com : admin :
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.
শিরোনাম :
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন নাহিদ তপদার ইয়ারপুর উপ-নির্বাচন, শ্রমিকলীগ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী সুনামগঞ্জে নিসচার ২৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিগত বছরের চেয়ে এবার এসএসসি পরীক্ষায় ধলাইতলী দাখিল মাদ্রাসার সাফল্য সুনামগঞ্জে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ৫০ তম বার্ষিক সাধারণ সভা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক হলেন সোনারগাঁয়ের আবু কাউসার। আশুলিয়ায় চাঁদা না পেয়ে নির্মানকাজে বাঁধা, মালামাল লুট নৌকার মনোনয়ন পেতে প্রতারণার আশ্রয়ের অভিযোগ সুনামগঞ্জে দিরাই যুবদল নেতাকে আ.লীগের প্রস্তাবিত সভাপতি পদ থেকে বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ১ হাজার পুড়িয়া হিরোইন সহ গ্রেফতার ৩

জামালপুর কলেজের ভর্তি ও ফর্ম ফিলাপ এর টাকা জমা নিয়ে শিক্ষার্থীদের রশিদ না দেওয়া ও হিসাবে গড়মিল করার অভিযোগ উঠেছে অফিস সহকারি লিটনের বিরুদ্ধে ।

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৭০ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার :

গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়ন এর জামালপুর কলেজের শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপের টাকা জমা নিয়ে হিসাবে গড়মিল করার ও রশিদ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেরানি লিটনের বিরুদ্ধে ।

কয়েকদিন আগে বেশ কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় জামালপুর কলেজের ফরম ফিলাপের টাকা জমা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদ প্রকাশ করার পর অফিস সহকারী কেরানি লিটন যেই শিক্ষার্থীর পরিবার প্রভাবশালী তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে রিসিট ও অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিয়েছে ২০০০,৩০০০,৪৫০০,৫০০০,করে,তারপর ভুল স্বীকার করে ক্ষমা ও চেয়েছে অনেকের কাছে।

২৫ জনের মতো শিক্ষার্থী জামালপুর কলেজের অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন ও ভিডিও বক্তব্য দিয়েছে যা কি-না সাংবাদিকদের কাছে প্রমাণ হিসেবে রয়ে গেছে। কাল এতে জড়িত রয়েছে নেতা শিক্ষক সহ আরো অনেকেই।

আর নিরীহ শিক্ষার্থীদের কেরানী লিটন ফোন করে কলেজে এনে হুমকি ও ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে লিটন এর বিরুদ্ধে। জামালপুর কলেজের অনিয়মের ব্যাপারে যারা মুখ খুলেছে তারা কলেজে আসতে ভয় পাচ্ছে।
এবং সোহাগ স্যারে নেতৃত্বে জোর করে কাউন্টার সাক্ষর নেয়া হচ্ছে এবং কাউকে না বলার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী।
ক্লাসে গিয়ে সংবাদে বিবৃতিদানকারী শিক্ষার্থীদের নাম ধরে ধরে হুমকি ধমকি দেয়া হচ্ছে।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে জামালপুর কলেজের সভাপতি মাসুদুর রহমান বলেন লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনেছি কিন্তু আমাকে এই পর্যন্ত কেউ লিখিতভাবে লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেনি তবে প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামালপুর কলেজের প্রিন্সিপাল আনন্দ চন্দ্র দাস এর সাথে মোবাইল ফোনে লিটনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন , আমার জানামতে লিটন একদম ফ্রেশ তারপরও যদি কোন অনিয়মের ছোঁয়া পাই তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

জামালপুর কলেজের শিক্ষক ফয়সাল এর কাছ থেকে লিটনের অনিয়মের বিষয়ে জানার জন্য মোবাইলে কল করলে তিনি ফোন কেটে দেন তাই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি ।

বারবার মোবাইল ফোনে চেষ্টা করেও অফিস সহকারি লিটন এর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়ন এর জামালপুর কলেজের শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপের টাকা জমা নিয়ে হিসেব গড়মিল করার ও রশিদ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামালপুর কলেজের অফিস সহকারি কেরানি লিটনের বিরুদ্ধে ।

কয়েকদিন আগে বেশ কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় জামালপুর কলেজের ফরম ফিলাপের টাকা জমা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদ প্রকাশ করার পর পর অফিস সহকারী কেরানি লিটন যেই শিক্ষার্থীর পরিবার প্রভাবশালী তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে রিসিট ও অতিরিক্ত টাকা বেশ কয়েকজনকে ফেরত দিয়েছে ২০০০,৩০০০,৪৫০০,৫০০০,করে,তারপর ভুল স্বীকার করে ক্ষমা ও চেয়েছে অনেকের কাছে।

২৫ জনের মতো শিক্ষার্থী জামালপুর কলেজের অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন ও ভিডিও বক্তব্য দিয়েছে যা কি-না সাংবাদিকদের কাছে প্রমাণ হিসেবে রয়ে গেছে। এতে জড়িত রয়েছে কেরানি লিটন, নেতা শিক্ষক,ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসহ আরো অনেকেই।

আর নিরীহ শিক্ষার্থীদের কেরানী লিটন ফোন করে কলেজে এনে হুমকি ও ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে লিটন এর বিরুদ্ধে। জামালপুর কলেজের অনিয়মের ব্যাপারে যারা মুখ খুলেছে তারা কলেজে আসতে ভয় পাচ্ছে।
এবং সোহাগ স্যারে নেতৃত্বে জোর করে কাউন্টার সাক্ষর নেয়া হচ্ছে এবং কাউকে না বলার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী।
ক্লাসে গিয়ে সংবাদে বিবৃতিদানকারী শিক্ষার্থীদের নাম ধরে ধরে হুমকি ধমকি দেয়া হচ্ছে।তাদের কাছে অসহায় শিক্ষার্থীরা।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে জামালপুর কলেজের সভাপতি মাসুদুর রহমান বলেন লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনেছি কিন্তু আমাকে এই পর্যন্ত কেউ লিখিতভাবে লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেনি তবে প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামালপুর কলেজের প্রিন্সিপাল আনন্দ চন্দ্র দাস এর সাথে মোবাইল ফোনে লিটনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন , আমার জানামতে লিটন একদম ফ্রেশ তারপরও যদি কোন অনিয়মের ছোঁয়া পাই তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

জামালপুর কলেজের শিক্ষক ফয়সাল এর কাছ থেকে লিটনের অনিয়মের বিষয়ে জানার জন্য মোবাইলে কল করলে তিনি ফোন কেটে দেন তাই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি ।
শিক্ষক সোহাগের ফোন বন্ধ থাকায় সাখাওয়াত হোসেন সোহাগ এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি ।
বারবার মোবাইল ফোনে চেষ্টা করেও অফিস সহকারি লিটন এর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর
Theme Customized By Shakil IT Park