1. admin@nagorikexpress.com : admin :
বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
পরিচালনা পরিষদ: নাগরিক এক্সপ্রেস এর আইডি কার্ড এর মেয়াদ সম্পূর্ণ কোন সাংবাদিক নেই . সকলের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। দ্রুত আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন জনপ্রিয় পত্রিকা নাগরিক এক্সপ্রেস এর পক্ষ থেকে সবাইকে পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । বর্তমানে সারা বাংলাদেশে আইডি কার্ড ধারি আমাদের কোন সংবাদ কর্মী নেই যারা আছেন তাদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাই উক্ত সাংবাদিকগণ আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন বলে বিবেচিত হবে না। যদি কারো আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে খুব শীঘ্রই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.
শিরোনাম :
মতলব উত্তর এ প্রতিপক্ষের গুষিতে ইউপি সদস্যের মৃত্যু টেকনাফে আইডিয়াল একাডেমি কে.জি. স্কুলের পক্ষ থেকে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মাদারীপুর বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ৩০ বছর পর দেখা আপ্লুত বন্ধুমহল ভাঙ্গায় বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উৎযাপিত মাদারীপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলা চালিয়ে ১৫টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ভাঙ্গায় এস. এসসি- ৯২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ অঙ্গীকার-” সংগঠনের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশবাসীকে  আমিনুল ইসলাম আমিন তপদারের ঈদ শুভেচ্ছা ভাঙ্গায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় শায়লার উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মাদারীপুরে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্য গ্রেফতার

প্রেমের টানে মাদারীপুরে ঘর বাঁধলেন ইন্দোনেশীয় তরুণী শিবচর

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৫২ বার পঠিত

(মাদারীপুর) প্রতিনিধি

ইন্দোনেশীয় তরুণী ইফহা। কাজের সুবাদে এই তরুণীর সাথে সিঙ্গাপুরে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয় বাংলাদেশি তরুণ শামীম মাদবরের। এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে। পরস্পরের মধ্যে বোঝাপড়া, ভালোলাগা আরও গভীর হতে থাকে। এভাবেই কেটে যায় দুই বছর।

অবশেষে প্রেমের সম্পর্ক গড়ায় বিয়েতে শামীমের গ্রামের বাড়ি। ইন্দোনেশীয় তরুণী বিয়ে করতে চলে আসে বাংলাদেশে মাদারীপুরের শিবচরে শামীমের বাড়িতে।

২০১৮ সালে শিবচরের কুতুবপুরের বড় কেশবপুর গ্রামের লালমিয়া মাদবরের ৩য় সন্তান সিঙ্গাপুর যান ভাগ্য বদলাতে। সেখানে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয় ইন্দোনেশিয়ার তরুণী ইফহা-ও সাথে। মা বাবা ইন্দোনেশিয়ায় বসবাস করলেও ইফহা সিঙ্গাপুরে অনলাইনে কসমেটিকস এর সফল ব্যবসায়ী। গত দুই বছর তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ইউটিউবে বাংলাদেশে বিয়ের ধরন পছন্দ হওয়ায় তারা এখানেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। উভয় পরিবারই বিয়েতে শুরুতে অসম্মতি জানালেও তাদের প্রেমের টানের কাছে হেরে যান। সে মোতাবেক সিঙ্গাপুর থেকে গত ৩০ জানুয়ারি বাড়ি আসেন শামীম মাদবর। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আসেন ইন্দোনেশীয় তরুণী ইফহা। শামীম মাদবরের পরিবার স্বানন্দে গ্রহন করেন ওই তরুণীকে। বৃহস্পতিবার গায়ে হলুদ ও শুক্রবার শামীমের বাড়িতে জাঁকজমক ভাবে সম্পন্ন হয় বিয়ের অনুষ্ঠান।

এদিকে বিদেশি তরুণীর বিয়ের অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় জমায় এলাকাবাসী। প্রায় ৮ শতাধিক মানুষের খাবার আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। বিদেশি মেয়ের সাথে বিয়ের ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মেয়েকে দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন এসে ভিড় করে শামীমের বাড়িতে।

সালমা আক্তার নামে শামীম মাতবরের নিকটাত্মীয় বলেন, ইফহা ইন্দোনেশীয় তরুণী হলেও কাজের জন্য সিঙ্গাপুরে থাকেন। তবে ওর পরিবার ইন্দোনেশীয়া থাকেন। আমাদের শামীম সিঙ্গাপুর থাকেন প্রায় ৬ বছর ধরে। ওখানে থাকা অবস্থাতেই ইফহার সাথে শামীমের পরিচয়। আমরা ফোনেই মেয়ের সাথে বিভিন্ন সময়ে কথা বলেছি। মেয়ে খুবই ভালো।

শামীম মাদবরের বাবা লাল মিয়া মাদবর বলেন, বিদেশী মেয়েকে আমার ছেলে পছন্দ করেছে। মেয়েও ছেলেকে পছন্দ করে। আমরা ওই মেয়ের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। তারাও বিয়েতে রাজি হয়েছেন। শামীম আসার কিছুদিন পর বিদেশী মেয়েও বাড়িতে আসে। শুক্রবার শামীম ও আমার ছোট ছেলে সুমনের একত্রে বিয়ে দিয়েছি। এক সাথে অনুষ্ঠান করেছি। সবাই আনন্দিত। এখন ওরা ভালো থাকুক এই দোয়া করি।

শামীম বলেন, ইফহা ইন্দোনেশীয়ান তরুণী। তবে সিঙ্গাপুর থাকে। ওখানে থাকা অবস্থাতে প্রথম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (টিকটক) পরিচয় হয়। পরে দেখা-সাক্ষাৎ হয়। ঘনিষ্টতা বাড়ে। সম্পর্ক প্রেমে গড়ায়। বিয়েতে আমাদের কারো পরিবারই রাজি ছিল না। আমরা পরস্পরের পরিবারকে বুঝিয়েছি। পরে তারা বিয়েতে রাজি হয়। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিয়ের জন্যই ইফহা বাংলাদেশে আসে।

ইফহা বলেন, আমি খুবই খুশি শামীমকে পেয়ে। ও খুবই ভালো মনের মানুষ। আমরা সিঙ্গাপুর যাবো। ওখান থেকে ইন্দোনেশীয়া বেড়াতে যাবো বাবা-মায়ের কাছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর
Theme Customized By Shakil IT Park