
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে রাজনৈতিক মাঠে চলছে প্রস্তুতি ও জোর আলোচনা। এরই ধারাবাহিকতায় পিরোজপুর-১ আসনে (পিরোজপুর সদর-জিয়ানগর-নাজিরপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন বি এন পি'র বর্ষীয়ান নেতা মো: নজরুল ইসলাম খান।
পিরোজপুর জেলা বি এন পি'র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও পিরোজপুর -১ ( পিরোজপুর সদর- জিয়ানগর- নাজিরপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী মো: নজরুল ইসলাম খান বলেছেন," জনগণের সেবা করার জন্য আমি রাজনীতি করি। আমি সব সময় ন্যায় বিচার, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার আদায়ে সোচ্চার থেকেছি"।
তিনি আরও বলেন, " দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তবে পিরোজপুর -১ আসনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো"। "জনগণের সঙ্গে
মিশে তাদের আশা আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিনিধিত্ব করে আমি এই আসনটিকে বিএনপি'র একটি শক্ত ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই"।
দীর্ঘদিন ধরে বিএনপিতে সক্রিয় থাকা এই নেতা উল্লেখ করেন, "রাজনৈতিক নির্যাতন, কারাবরণ কিংবা দমন– এসব কিছুই আমাকে কখনো পিছিয়ে দেয়নি। বরং তা আমাকে আরও দৃঢ়সংকল্প করেছে মানুষের পক্ষে লড়াই করতে।"
১৯৭৮ সালে জাগো ছাত্রদল পিরোজপুর মহাকুমার প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক হিসেবে রাজনীতির পথচলা শুরু হয় এই নেতার। এরপর ১৯৮০ সালে যুবদলের পিরোজপুর মহাকুমার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮৩ সালে নাজিরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯৩ সালে পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৯৪ সালে নাজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, ২০০২ সালে পিরোজপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, ২০০৮ সালে পিরোজপুর জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ২০১২ সালে পিরিজপুর জেলা বিএনপি'র সিনিয়র সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি কারাগারে থাকা অবস্থায়. নাজিরপুর উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে তিনি পুনরায় নাজিরপুর উপজেলা বি এন পি'র সভাপতির দায়িত্ব পান এবং বর্তমানে তিনি পিরোজপুর জেলা বি এন পি'র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
দলীয় দুঃসময়ে রাজপথে সাহসিক ভূমিকা, রাজনৈতিক নির্যাতন সহ্য এবং কারাবরণের অভিজ্ঞতা ও একজন ক্লীন ইমেজের রাজনীতিবীদ হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত মুখে পরিণত করেছে। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে স্বৈরাচার এরশাদ ও হাসিনার আমলে মোট ২৭ টি রাজনৈতিক হয়রানিমুলক মামলায় আসামী হয়েছেন। একটি জরুরী আইন ১৬ এবং ২৬(২) ধারায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৬ মাস এবং আওয়ামী সরকারের আমলে ৪ বারে মোট ১৬ মাস ১৯ দিন কারাবরন করেছেন।
মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে তৃণমূলে সক্রিয় যোগাযোগ ও গণসংযোগ শুরু করেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, উঠান বৈঠক ও সভা-সমাবেশের মাধ্যমে নিজ অবস্থান আরও শক্তিশালী করে তুলছেন তিনি। তিনি বর্তমানে নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর প্রচারণায় উঠে আসছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।
পরিচালনা পরিষদ:
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তানজির আহম্মেদ সানি তপদার
সহ-সম্পাদক রুবেল শিকদার
জুনিয়র সহ-সম্পাদক: নাজমুল হাসান
মামুন
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি: কাজী
হাবিবুর রহমান
মোঃ নুরুল হক সরকার(উপদেষ্টা)
মেহেদী হাসান স্বপন (উপদেষ্টা)
জসিম উদ্দিন তপদার (উপদেষ্টা)
উপদেষ্টা সাংবাদিক তুহিন ফয়েজ
হাজী আবুল হোসেন(উপদেষ্টা)
বার্তা সম্পাদক:আবু কাউছার আহমেদ
প্রকাশক: এডিটর: রাহুল