বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ নিজামুদ্দিন হারুন।
বামনা থানার ততকালীন অফিসার ইনচার্জ তুষার মন্ডল বিগত আওয়ামিলীগ সরকারের আমলে ২০২৩ শালের শেষের দিকে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন, তিনি বামনা থানায় যোগদান করার পরে থেকেই শুরু করেন সাধারণ নিরিহ মানুষের উপর অত্যাচার নির্যাতন এমনকি আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ছাড়া বামনা থানায় কোন লোকজন থাকতে পারবেন না বলে ওপেন জানিয়ে দেন, থানায় কোন মানুষ অভিযোগ নিয়ে গেলে প্রথমে জিজ্ঞেস করেন রাজনৈতিক পরিচয় যদি আওয়ামীলীগ পরিচয় দেন তাহলে মিলে সমাধান আর যদি আওয়ামীলীগের বাহিরে যেকোনো পরিচয় দিলে মিলে উল্টো হুমকি, থানায় বসে করতেন সকল বিষয় নিয়ে শালিসি বৈঠক উভয় পক্ষের কাছে থেকে নিতেন সমাধানের নামে টাকা জমা পরবর্তীতে সমস্যা সমাধান হলেও রিটার্ন দিতেন না জমা নেয়া টাকা, এমনই একটি ঘটনা বামনা উপজেলা রামনা ইউনিয়নের ইসমাইল হোসেন এর সাথে বালুর ড্রেজিং নিয়ে বিরোধ চলছিল তার পার্টনার এর সাথে সেই বিষয় ইসমাইল হোসেন বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন অভিযোগের ভিত্তিতে উভয় পক্ষকে থানায় ডাকেন ইসমাইল হোসেন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত তার অপর পক্ষ আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত যখন থানায় উভয় পক্ষ উপস্থিত হোন ইসমাইলের বিপক্ষে থানায় পলাতক রামনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল জোমাদ্দার যান এবং ইসমাঈলকে হুমকি ধামকি দেন ওসির সামনে বসে ইসমাইল কে উদ্দেশ্য করে চেয়ারম্যান বলেন তুই কিসের টাকা পাবি তোর সাহস হয় কি ভাবে এই আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে থানায় অভিযোগ দায়ের করার, এরপর ওসিকে চেয়ারম্যান বলেন ঠিক আছে শোনেন কি বিষয় তখন ইসমাইল এবং তার পার্টনার উভয়ে শিকার করেন তাদের যৌথ ব্যাবসা আছে ইসমাইল কে এখন আমরা তার পাওনা টাকা রিটার্ন করে দিব ব্যাবসা আমরা নিজেরা পরিচালনা করবো তখন পরবর্তী একটি তারিখ বৈঠক এর সময় দিয়ে উভয় পক্ষ কে,থানা থেকে চলে যেতে বলেন, পরবর্তী তারিখে ইসমাইল হোসেন বামনা প্রেসক্লাবের সদস্য দৈনিক সংবাদ দিগন্ত পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ নিজাম উদ্দিন কে সাথে নিয়ে যান এবং থানায় ওসির রুমে বৈঠক বসে উভয় পক্ষের হিসাব নিকাশ করে ইসমাইল হোসেন ৭ লক্ষ টাকা পাবে বলে সিদ্ধান্ত হয় এবং ইসমাঈল এর পার্টনার নগদ ৫ লক্ষ টাকা ওসির কাছে জমা দেন বাকি ২ লক্ষ টাকা ১ সপ্তাহের সময় নেন, ওসির কাছে ৫ লক্ষ টাকা জমা দেওয়া টাকা ইসমাইল হোসেন তাকে দিতে বলেন তক্ষুনি তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেন ওসি তুষার মন্ডল তিনি বলেন সব টাকা জমা হলে একসাথে টাকা নিবেন এখন যান তখন ইসমাঈল এর সাথে থাকা সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন ওসিকে বলেন এখন যেটা জমা হয়েছে সেটা দিয়ে দিন বাকিটা ১ সপ্তাহ পরে দিবে তখন নিবে এই কথা বলাতে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন কে থানা থেকে বের হয়ে যেতে বলেন এবং দালালী কম করতে বলেন ও থানার বাউন্ডারির মধ্যে যদি কখনো দেখা যায় তাহলে মামলা দিয়ে জীবনের শিক্ষা দিয়ে দিবেন বলে অকাথ্য বাসায় গালিগালাজ করেন, তখন সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন ওসিকে বলেন এগুলো ঠিক না, আমি আপনাকে খারাপ কিছু বলিনি ওর টাকা ওকে দিতে বলেছি মাত্র, ওসি তখন তার ততকালীন বামনা থানার এসআই রফিক মৃধা কে,ডেকে থানা থেকে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন কে ও ইসমাইল হোসেন কে বের করে দেন,পরবর্তীতে ৭ লক্ষ টাকার ৪ লক্ষ টাকা ইসমাইল কে দেন বাকি ৩ লক্ষ টাকা ওসি রেখে দেন এবং ইসমাঈল কে বলেন যা দিয়েছি তাই নিয়ে যা নয়তো বিষফোড়ক মামলায় চালান করে দিব তোকে তখন উক্ত বিষয়টি ততকালীন বরগুনা জেলার পুলিশ সুপার আবদুস সালাম কে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন অবহিত করেন এতে ওসি তুষার মন্ডল ক্ষিপ্ত হয়ে নিজাম উদ্দিন কে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকেন এবং মিথ্যা বানোয়াট মামলার আসামি করে জীবন তেজপাত করে দিবেন বলে হুমকি দেন, তার ঠিক মাসখানেক এর মধ্যে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন হারুন কে,একটি মিথ্যা বানোয়াট মামলার আসামি করেন যে মামলার সাথে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন এর কোন সম্পর্ক নেই এমনকি বাদী কে চিনেন না নিজাম উদ্দিন হারুন, পরবর্তীতে জানাযায় বাদী ওসি তুষার মন্ডল এর রক্ষিতা তাকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে ফাঁসানো হয় যদি ওসির বিরুদ্ধে কেউ অবস্থান নেন,এরপর থেকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি হয়রানি করে আসছেন সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন হারুন কে, সর্বশেষ জুলাই ছাত্রজনতা আন্দোলনের সময় একটি মিথ্যা বানোয়াট মামলা দায়ের করেন ওসি তুষার মন্ডল জরুরি আইনে সেখানে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন হারুন কে আসামি করেন ৯ নাম্বার এরপর দিনরাত খুজতে থাকেন নিজাম উদ্দিন কে, তাকে না পেয়ে তার বাড়িতে গিয়ে নিজাম উদ্দিন এর বৃদ্ধ মা বাবা কে হুমকি ধামকি দিয়ে বলেন ছেলেকে বাচাতে হলে ২ লক্ষ টাকা দিতে হবে নয়তো এনকাউন্টার করা হবে তাকে সে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে এবং বামনা থানার বিভিন্ন যায়গায় বোমা হামলা চালাচ্ছে অথচ বামনা থানার কোন এলাকায় একটা পিপরাও জানেন না কোথায় কবে বোমা হামলা হয়েছে এমনকি বামনা থানার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে কখনো বোমা হামলার মতো ঘটনা ঘটে নাই, নিজাম উদ্দিন হারুন এর বৃদ্ধ মা বাবা ছেলেকে বাঁচানোর জন্য ১ দিন সময় নিয়ে ৫০ হাজার টাকা ওসি তুষার মন্ডল কে দেন, এরপর যখন ৫ আগস্ট ২০২৪ আওয়ামীলীগ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় তখন নিজাম উদ্দিন হারুন বাড়িতে আসেন এবং ততকালীন পুলিশ সুপার বরগুনা নাফিউর রহমান এর কাছে অভিযোগ করেন তার বিরুদ্ধে যেসকল চক্রান্ত করেছেন ওসি তুষার মন্ডল সবকিছু শুনে পুলিশ সুপার ওসি তুষার মন্ডল কে নির্দেশ দেন সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য ও টাক রিটার্ন দেয়ার জন্য, তখন ওসি রাজি হয়ে বলেন ঠিক আছে স্যার কিন্তু আজকাল বলে সময় ক্ষেপণ করে ওসি তুষার মন্ডল বামনা থানা থেকে বদলি হয়ে যান আর সেই মিথ্যা বানোয়াট মামলার কারণে এখনো আদালতের বারান্দায় বারান্দায় ঘুরছেন সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন হারুন, বাংলাদেশ পুলিশের মাননীয় আইজিপি ও সিআইডি পুলিশের মাননীয় অতিরিক্ত ডিআইজি মহোদয় দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন হারুন, এই ওসি এখন খুলনা রেঞ্জের যশোর জেলা সিআইডি পুলিশে কর্মরত রয়েছেন তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করার।
পরিচালনা পরিষদ:
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তানজির আহম্মেদ সানি তপদার
সহ-সম্পাদক রুবেল শিকদার
জুনিয়র সহ-সম্পাদক: নাজমুল হাসান
মামুন
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি: কাজী
হাবিবুর রহমান
মোঃ নুরুল হক সরকার(উপদেষ্টা)
মেহেদী হাসান স্বপন (উপদেষ্টা)
জসিম উদ্দিন তপদার (উপদেষ্টা)
উপদেষ্টা সাংবাদিক তুহিন ফয়েজ
হাজী আবুল হোসেন(উপদেষ্টা)
বার্তা সম্পাদক:আবু কাউছার আহমেদ
প্রকাশক: এডিটর: রাহুল