
রাজধানীর খিলক্ষেতে ব্যবসায়ী জিয়াউল মাহমুদ (৫০) অপহরণ মামলায় এক নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।জিয়াউলের স্ত্রী শাহনাজ সালিম চিত্রার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দণ্ডবিধির ৩৬৫/৩৪ ধারায় মামলাটি রুজু করে খিলক্ষেত থানা। মামলা নং–০৯।
সূত্র জানায়, সোমবার দুপুর ৩টায় বসুন্ধরার বাসা থেকে বনানীর এমজেটিএম ট্রেডিং কোম্পানির অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন জিয়াউল মাহমুদ। বিকেলের দিকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে স্ত্রী চিত্রা উদ্বিগ্ন হয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন। অফিস থেকে জানানো হয় জিয়াউল নিকুঞ্জ-২ এলাকার রিজেন্সী হোটেলে মিটিংয়ে আছেন বলে জানা গেছে। কিন্তু দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর নিকুঞ্জ–২ এর রিজেন্সী হোটেলের পিছনে ঢাকা স্পাইসি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে ভয়ংকর দৃশ্য।একটি কালো মাইক্রোবাস থেকে নেমে আসা অপহরণকারীরা জিয়াউলকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাচ্ছে। শুধু মানুষ নয়, তার ব্যবহারের সাদা রঙের প্রাইভেট কারটিও (ঢাকা মেট্রো ঘ–১১–৪০০২) নিয়ে যায় অপহরণকারীরা।থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর রাতভর সাঁড়াশি অভিযানে পুলিশ জসিম ওরফে গুন্ডা জসিম, মোঃ ফারুক হোসেন, মাহবুব মুন্সী, অনিক, মোঃ আলমগীর হোসেন, মাহাদী সরকার রাকিব এবং শিল্পী আক্তার ওরফে রানীকে গ্রেফতার করে। তাদের সহযোগী পলাতক রাজা মিয়া, তারেক ও আজিজ সহ বাকি সদস্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যে, গ্রেপ্তার হওয়া চক্রটির মূলহোতা জসীম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ‘গুন্ডা জসীম’ নামে কুখ্যাত। চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি দেখানো থেকে শুরু করে নানা অপরাধে সে এক নোংরা সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তার অস্বাভাবিক ঘনিষ্ঠতাই জসীমের দৌরাত্ম্যের আসল জ্বালানী। এমনকি মহানগর ও থানার কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার আলাপচারিতার ছবিও রয়েছে প্রতিবেদকের হাতে। গ্রেফতার সাতজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।
পরিচালনা পরিষদ:
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তানজির আহম্মেদ সানি তপদার
সহ-সম্পাদক রুবেল শিকদার
জুনিয়র সহ-সম্পাদক: নাজমুল হাসান
মামুন
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি: কাজী
হাবিবুর রহমান
মোঃ নুরুল হক সরকার(উপদেষ্টা)
মেহেদী হাসান স্বপন (উপদেষ্টা)
জসিম উদ্দিন তপদার (উপদেষ্টা)
উপদেষ্টা সাংবাদিক তুহিন ফয়েজ
হাজী আবুল হোসেন(উপদেষ্টা)
বার্তা সম্পাদক:আবু কাউছার আহমেদ
প্রকাশক: এডিটর: রাহুল