1. admin@nagorikexpress.com : admin :
২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বৃহস্পতিবার| রাত ১২:০৮|
নোটিশ :
পরিচালনা পরিষদ: সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে আজই আপনার বায়োডাটা আমাদের ইমেইল এড্রেস এ পাঠিয়ে দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন. আপনার প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান বিজ্ঞাপন আমাদের পত্রিকায় দিতে পারেন প্রতিটা পত্রিকার সাথে আমাদের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন এবং আপনার বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন প্রতিটা নিউজের সাথে এবং বিজ্ঞাপনের সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের . সকলের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। দ্রুত আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন জনপ্রিয় পত্রিকা নাগরিক এক্সপ্রেস এর পক্ষ থেকে সবাইকে পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । বর্তমানে সারা বাংলাদেশে আইডি কার্ড ধারি আমাদের কোন সংবাদ কর্মী নেই যারা আছেন তাদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাই উক্ত সাংবাদিকগণ আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন বলে বিবেচিত হবে না। যদি কারো আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে খুব শীঘ্রই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজ ই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.

মতলবে মায়ের ঠাঁই হয়নি একমাত্র ছেলের ঘরে

Reporter Name
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩১০ বার পঠিত

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি : ছেলে আর ছেলের বউয়ের অত্যাচার ঘরে ঠাঁই হয়নি ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মার। এমন ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের কামালদি মাথাভাঙা গ্রামে।

১৭ এপ্রিল বুধবার সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার কামালদি মাথাভাঙা গ্রামের মৃত আলাউদ্দিন তফাদারের স্ত্রী মাকসুদা বেগম একমাত্র ছেলে সাহাব উদ্দিনের ঘরে জায়গা না হওয়ায় মেয়ের বাড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

স্থানীয় সূত্র জানা যায়, ৩৩ বছর আগে মাকসুদা বেগম তার স্বামীকে হারায়। পরে এক ছেলে ও ৩ মেয়ে নিয়ে জীবন-জাপন করতে অসুবিধায় পরে যায়। পরে তিনি আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতা নিয়ে সংসারে হাল ধরে। একসময় ভিক্ষাও করেন এই সন্তানের দিকে তাকিয়ে। মেয়ে শিরিনা গার্মেন্টসে চাকরি নেয়। গার্মেন্টসের চাকরির টাকা দিয়ে একটি ঘর নির্মাণ করে এবং ভাই সাহাব উদ্দিনকে বিদেশে পাঠায়।

এদিকে বোনদের বিয়ে হওয়ার পর সাহাব উদ্দিন খোঁজ খবর রাখেনা। এমনকি বাড়িতেও আসতে দেয়না। বৃদ্ধা মা মাকসুদ বেগমকে একটি ছোট রুমে যায়গা দিয়েছে। যা একে বারে অন্ধকার। দিনের বেলায় রাতের মতো অণ্ধকার পরিবেশ থাকে। ঐ রুমের জানালাগুলো একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আলো বাতাস আসা যাওয়া করতে পারে না। ঘরের মধ্যের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঐ রুম থেকে অন্য রুমে যেতে পাড়ে না। লাইট ও ফ্যানের সুইচ অন্য রুমে। ঠিক মতো দেয়না খাবার। মনের ইচ্ছার লাইট ফ্যান চালাতে পারে না।

এবিষয়ে একাদিকবার সালিশ বসলেও কাউকে তোয়াক্কা করে না।

শিরিনা আক্তার জানান, বাবা মারা যাওয়ার পর ছোট ভাইকে মানুষ করার জন্য আমি গার্মেন্টসে চাকরি করি। টাকা জমিয়ে ভাইকে মালোশিয়া পাঠাই। সেই ভাই আজ আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করতে দেয়না। এমনকি মাকেও। তাই মাকে আমার ঘরে ঠাই দিয়েছি।

বৃদ্ধা মাকসুদা বেগম জানান, ‘আমার একমাত্র ছেলে ও ছেলের বউ, আমার স্বামীর ঘর থকে তাড়িয়ে দিয়েছে।
তাছাড়া আমার মেয়ে শিরিনা গার্মেন্টসে চাকরি করে এই ঘর নির্মাণ করে এবং আমার ছেলেকে বিদেশ পাঠায়। সাহাব উদ্দিন বিয়ে করার পর থেকেই মা ও বোনদের দেখা শোনা বন্ধ দিয়েছে। বোনদের বাড়িতে উঠতে দেয়না, অথচ তারা এখনো বাড়ির মালিক। আমাকে যেভাবে রাখছে তার চেয়ে জেলখানা ও বৃদ্ধাশ্রম অনেক ভালো। তাই মেয়ের বাড়িতেই থাকতে হয় আমার। এর আগেও বেশ কয়েকবার আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। থানায় অভিযোগ করেও তখনকার রাজনৈতিক নেতাদের ছত্র ছায়ায় আমি বিচার পাইনি।

গ্রামের প্রবীণ ব্যাক্তি নজরুল ইসলাম বলেন, বুধবার ১৭ এপ্রিল বিষয়টি মিমাংসার জন্য ইউপি সদস্যসহ গ্রামের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ বসেছিলাম। কিন্তু সাহাব উদ্দিন গা ঢাকা দিয়েছে।

তারা আরো জানান, সাহাব উদ্দিন যতই গা ঢাকা দিয়ে থাকুকনা কেন, সমাজবাসী অব্যশই তাকে খুঁজে বের করে এর সমাধান করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর