1. admin@nagorikexpress.com : admin :
২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| সকাল ৯:২৫|
নোটিশ :
পরিচালনা পরিষদ: সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে আজই আপনার বায়োডাটা আমাদের ইমেইল এড্রেস এ পাঠিয়ে দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন. আপনার প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান বিজ্ঞাপন আমাদের পত্রিকায় দিতে পারেন প্রতিটা পত্রিকার সাথে আমাদের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন এবং আপনার বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন প্রতিটা নিউজের সাথে এবং বিজ্ঞাপনের সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের . সকলের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। দ্রুত আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন জনপ্রিয় পত্রিকা নাগরিক এক্সপ্রেস এর পক্ষ থেকে সবাইকে পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । বর্তমানে সারা বাংলাদেশে আইডি কার্ড ধারি আমাদের কোন সংবাদ কর্মী নেই যারা আছেন তাদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাই উক্ত সাংবাদিকগণ আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন বলে বিবেচিত হবে না। যদি কারো আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে খুব শীঘ্রই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজ ই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.

সিরাজগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো, জীবন ঝুঁকি আর চাঁদার বোঝা বহন করছে গ্রামবাসী

Reporter Name
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৬ বার পঠিত

সিরাজগঞ্জের একডালা ও খাটিয়ামারা গ্রামের মানুষের জীবন এখন ঝুঁকির উপর দাঁড়িয়ে। দুই গ্রামের সংযোগের একমাত্র ভরসা একটি বাঁশ ও কাঠের তৈরি সাঁকো। এই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন স্কুলগামী শিশু, কৃষক, রোগী, শ্রমিক থেকে শুরু করে সিএনজি অটোরিকশা ও ভ্যান—সবাই বাধ্য হয়ে চলাচল করছেন। তবে প্রতিটি পদক্ষেপে রয়েছে ভয়, কারণ যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে সাঁকোটি।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনই এখানে দুর্ঘটনা ঘটছে। কেউ সাঁকো থেকে পিছলে পড়ে আহত হচ্ছেন, আবার কারও মালভর্তি ভ্যান বা অটোরিকশা উল্টে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
একজন বৃদ্ধা পথচারী কাঁদো কণ্ঠে বললেন,
“হাসপাতালে যাওয়ার পথে সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে আমি মারাত্মক আঘাত পাইছিলাম। তারপরও আর কোনো উপায় নাই, আবারও এই সাঁকো দিয়েই চলতে হয়।”

স্কুলগামী শিশুদের অভিভাবকরাও ভয় আর উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকেন প্রতিদিন। এক অভিভাবক বললেন,
“ছেলেমেয়েরা পড়তে যায় ভয় নিয়ে। যদি সাঁকো থেকে পড়ে যায়, তখন আমরা কই যাব?”

এখানেই শেষ নয়, ঝুঁকি নিয়ে পারাপারের পাশাপাশি স্থানীয়দের দিতে হচ্ছে চাঁদা। জানা গেছে, পথচারীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫ টাকা, আর সিএনজি, অটোরিকশা ও ভ্যানের কাছ থেকে ১০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। এভাবে প্রতিদিন মোটা অঙ্কের টাকা ওঠানো হয় আব্দুল বারিক ও আসাদুল ইসলামের নেতৃত্বে। তাদের কাছে টাকা উত্তোলনের বৈধতা জানতে চাইলে তারা কোনো উত্তর দিতে চাননি।

গ্রামের কৃষক মজিবর রহমান আক্ষেপ করে বললেন,
“ফসল নিয়ে বাজারে যাইতে গিয়েও ১০ টাকা দিতে হয়। আবার সাঁকো পার হইতে গিয়ে গরুর গাড়ি একদিন উল্টা গেছে। এভাবে আর কতদিন চলবো?”

স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হোক। তবেই এই ভোগান্তি ও ঝুঁকি থেকে মুক্তি মিলবে।
“আমরা চাই সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিক। মানুষ তো আর চাঁদা দিয়ে ঝুঁকির মধ্যে বাঁচতে চায় না।”—বললেন গ্রামের আরেকজন যুবক।

একডালা ও খাটিয়ামারা গ্রামের মানুষের স্বপ্ন, একদিন একটি পাকা ব্রিজ হবে, আর সেই ব্রিজ দিয়ে বিনা ভয়ে, বিনা চাঁদায় হাঁটবে তাদের শিশুরা, নিরাপদে আসবে যাবে রিকশা-ভ্যান, রোগী পৌঁছাবে হাসপাতালে।

জলিলুর রহমান জনি
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
01747535354

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর