
ভাঙ্গা( ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের ভাঙ্গায় হাজী আব্দুল করিম ও সামর্তবান ফাউন্ডেশনের ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ১২ টি গ্রামের ৫৬ জন সম্ভাবনাময় নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার সকালে উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের হিরালদী গ্রামে হাজী আব্দুল করিম ও সামর্তবান ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি, উপকারভোগীরা ছাড়াও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক আবুল খাত্তাব চোকদার ও জহুরুল হক কল্লোল এর সঞ্চালনায় এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপকারভোগীদের মাঝে সেলাই মেশিনগুলো তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( ভাঙ্গা সার্কেল) চআসিফ ইকবাল, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, ফাতেমাতুজ্জোহরা ( মিসেস আসিফ ইকবাল),প্রধান শিক্ষক মেজবাহ উদ্দিন বাহার,স্থানীয় আলীমুজ্জামান মধু,মোঃ নুরু মাতুব্বর,সংগঠনের সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ ওবায়দুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বিস্তারিত তুলে ধরেন ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম।
আগত উপকারভোগীদের মাঝে বক্তব্য দেন ড়
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব সামগ্রী বিতরণকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সমাজের সামর্থ্যবানরা যদি এগিয়ে আসে, তবে গরীব-দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। এ স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সংগঠনটি কাজ করছে। তিনি আব্দুল করিম ও সামর্তবান ফাউন্ডেশন নামক চ্যারিটি সংগঠন আয়োজিত সুবিধাভোগীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে এ দাতব্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ডের প্রশংসা করে বলেন, রফিকুল ইসলামের কর্মকান্ডের প্রশংসা করি। সবাই কাজ করলে স্বপ্ন পুরন হতে আর বেশি দেরি লাগবেনা। তিনি আরও বলেন, গতানুগতিক সেলাই মেশিন বিতরণ শুধুমাত্র নারীদের মাঝে বিতরণ করতে হবে এ ধারনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সব ধরনের উচ্চাকাঙ্খা থাকতে হবে। পুলিশ সুপার আসিফ ইকবাল বলেন, বর্তমানে বেশির ভাগই নীতিবাচক কর্মকান্ড চোখে পড়ে। তার মাঝে এমন একটি ইতিবাচক কর্মসূচী দেখে আশাবাদী করে তুলেছে।
প্রসঙ্গতঃ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের স্বপ্ন @ নিয়ে কাজ করা অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠান হাজী আব্দুল করিম ও সামর্তবান ফাউন্ডেশনের ৩য় প্রতিষ্ঠাবাষিকী উপলক্ষে পরিবারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রান্তিক মানুষের দারিদ্র বিমোচন জন্য ইতোমধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ,শিক্ষা বৃত্তি প্রদান, অটোভ্যান বিতরণ, শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ ও ড্রেস প্রদান,বৃক্ষ রোপন, কার্বন নিঃসরন বন্ধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা সহ নানা কল্যানমূলক কাজ করে চলেছে। বক্তারা সংগঠনের মাধ্যমে মানুষের জন্য কল্যাণ মূলক কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।