1. admin@nagorikexpress.com : admin :
২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| সকাল ৯:৪৯|
নোটিশ :
পরিচালনা পরিষদ: সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে আজই আপনার বায়োডাটা আমাদের ইমেইল এড্রেস এ পাঠিয়ে দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন. আপনার প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান বিজ্ঞাপন আমাদের পত্রিকায় দিতে পারেন প্রতিটা পত্রিকার সাথে আমাদের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন এবং আপনার বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন প্রতিটা নিউজের সাথে এবং বিজ্ঞাপনের সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের . সকলের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। দ্রুত আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন জনপ্রিয় পত্রিকা নাগরিক এক্সপ্রেস এর পক্ষ থেকে সবাইকে পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । বর্তমানে সারা বাংলাদেশে আইডি কার্ড ধারি আমাদের কোন সংবাদ কর্মী নেই যারা আছেন তাদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাই উক্ত সাংবাদিকগণ আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন বলে বিবেচিত হবে না। যদি কারো আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে খুব শীঘ্রই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজ ই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.

যশোরের মনিরামপুরে জোটমুক্ত রাজনীতির প্রত্যাবর্তন: শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনকে কেন্দ্র করে নতুন প্রত্যাশার স্রোত

Reporter Name
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২২২ বার পঠিত

।। জেমস আব্দুর রহিম রানা ।।
যশোরের মনিরামপুরে বহু বছরের রাজনৈতিক অচলাবস্থা, দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ও জোটনির্ভরতার গ্লানি কাটিয়ে অবশেষে যে মুক্তির সুর ভেসে এসেছে, তার জন্য স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। কারণ দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর দলীয় সিদ্ধান্তে এ উপজেলায় কোনো জোটগত বা ভাড়াটিয়া প্রার্থীর কাছে সংগঠনের মর্যাদা বিকিয়ে না দিয়ে—সরাসরি দলের যোগ্য, ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্য নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মনিরামপুরবাসীর ভাষায়—“এটা শুধু মনোনয়ন নয়, এটা মনিরামপুরকে বহু বছরের পরাধীনতা থেকে মুক্ত করে দেওয়ার ঐতিহাসিক ঘোষণা।” তাই স্থানীয়রা বলছেন, “আলহামদুলিল্লাহ—শেষ পর্যন্ত দল এলাকার কর্মীদের সম্মান রক্ষা করেছে।”

মনিরামপুর বিএনপির দীর্ঘদিনের বাস্তবতা হচ্ছে—এখানে আদর্শগত কোনো বিভাজন নেই, নেই গ্রুপভিত্তিক ক্ষমতার রাজনীতি। নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকলেও তা ছিল সুস্থ ধারার, দলের ভেতরকার মতভেদও ছিল রাজনৈতিক নয় বরং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নেওয়ার মনোভাব থেকে। এই রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মধ্যেই উদীয়মান হয়েছেন এডভোকেট শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন—যিনি শুধু একজন জ্যেষ্ঠ নেতা নন, বরং উপজেলার বিএনপি পরিবারের “অভিভাবক” হিসেবেই স্বীকৃত।

দলের প্রতিটি কর্মীর মূল্যায়ন, জনসম্পৃক্ততার সক্ষমতা, সহজ-সরল ব্যক্তিত্ব এবং রাজনৈতিক আদর্শ—সব কিছু মিলিয়ে তিনি আজ মনিরামপুর BNP–র পাহাড়সম প্রতীক। অনেকেই বলেন, কর্মীর সঙ্গে তার সম্পর্ক শুধু রাজনীতি নয়, একধরনের পারিবারিক বন্ধনের মতো। যে নেতার স্মৃতিতে একজন কর্মীর নাম একবার ঢুকে গেলে—২০ বছর পরেও তিনি সেই নাম ঠিকই মনে রাখেন, খোঁজখবর নেন, পরামর্শ দেন, আবার প্রয়োজনে কর্মীর মতামত গ্রহণ করতেও দ্বিধা করেন না।
রাজনৈতিক মাঠে তার এই মানবিকতা, ত্যাগ ও নিষ্ঠা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তাই তার জনপ্রিয়তা শুধু নেতাকর্মীদের মাঝে নয়, সাধারন মানুষের মাঝেও দৃশ্যমান। তার মনোনয়ন পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাজুড়ে যে স্বস্তি, উদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে—তা বিগত কয়েক বছরের কোনো রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে তুলনীয় নয়।

মনিরামপুরবাসীর দাবি—“এবার আর কেউ ভাড়া খাটবে না, মনিরামপুরের মানুষ নিজস্ব নেতা, নিজস্ব কণ্ঠস্বর নিয়ে জাতীয় সংসদে উপস্থিত হবে।” বহু বছর ধরে এলাকায় যে ক্ষোভ, বঞ্চনা ও অভিযোগ জমে ছিল বাহিরের প্রার্থী ও জোটগত আরোপিত নেতৃত্বের কারণে—এই মনোনয়ন সেই ক্ষত মুছে দিয়েছে।

এলাকাজুড়ে এখন একটাই কথা—শুধু জিতলেই হবে না, বরং লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয়ী করে শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনকে জাতীয় সংসদে পাঠাতে হবে। অনেকেই রসিকতার ছলে বলেন—“শুধু এমপি করলেই হবে না, ঢাকার এমপি কোয়ার্টারের প্রথম ব্লকের তিন-চার তলার একটি ফ্ল্যাটে তাকে তুলে দিয়ে আসতে হবে! কারণ গ্রাম থেকে ঢাকায় যাওয়া আমাদের সাধারণ কর্মীরা টপ ফ্লোরে উঠতে কষ্ট পাবে।”—এই রসিকতা আসলে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ, যার ভেতরে আছে ত্যাগী নেতাকে সহজলভ্য রাখার আন্তরিক ইচ্ছা।

মনোনয়ন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে নেতা– কর্মীদের মধ্যে যেন নতুন প্রাণ ফিরে এসেছে। কেউ বলছেন—“আমরা আইসিইউতে ছিলাম, এখন বেডে আসলাম।” আবার কেউ বলছেন—“নির্বাচনে তাকে জিতিয়ে আমরা হাসপাতাল ছেড়ে সুস্থ শরীরে বাড়ি ফিরব ইনশাআল্লাহ।”
এ কথাগুলো নিছক উক্তি নয়, বরং ভেঙে যাওয়া রাজনৈতিক মনোবলের পুনর্জন্ম। দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অস্থিরতা ও হতাশার পর আজ মনিরামপুর বিএনপি আবার এক ছাতার নিচে, এক কণ্ঠে, এক সিদ্ধান্তে ঐক্যবদ্ধ।

মনিরামপুরে এবার যে আবেগ, যে প্রত্যাশা ও যে সামাজিক ঐক্য তৈরি হয়েছে—তা শুধু একটি উপজেলার নির্বাচনী উত্তাপ নয়; এটি রাজনৈতিকভাবে অবহেলিত জনপদের পুনরুত্থানের প্রতীক। শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন শুধু একজন নেতা নন—তিনি মনিরামপুরের মানুষের বহু বছরের প্রত্যাশা, আস্থার প্রতীক ও ভবিষ্যতের আশা।

এখন অপেক্ষা শুধু নির্বাচনের দিনের। মনিরামপুরবাসী বিশ্বাস করে—তারা শুধু একজন প্রার্থীকে জিতিয়ে পাঠাবে না, তারা তাদের রাজনৈতিক পরিচয়, স্বপ্ন ও সম্মানও জাতীয় সংসদের দরজায় পৌঁছে দেবে। আর সেই পথের নেতৃত্বে আছেন একজন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও মানবিক নেতা—এড. শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।

লেখক: জেমস আব্দুর রহিম রানা, সিনিয়র গণমাধ্যমকর্মী, সাহিত্যিক ও কলামিস্ট।
মোবাইল: ০১৩০০৮৩২৮৬৮

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর