1. admin@nagorikexpress.com : admin :
২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| রাত ৪:৩৩|
নোটিশ :
পরিচালনা পরিষদ: সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে আজই আপনার বায়োডাটা আমাদের ইমেইল এড্রেস এ পাঠিয়ে দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন. আপনার প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান বিজ্ঞাপন আমাদের পত্রিকায় দিতে পারেন প্রতিটা পত্রিকার সাথে আমাদের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন এবং আপনার বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন প্রতিটা নিউজের সাথে এবং বিজ্ঞাপনের সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের . সকলের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। দ্রুত আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন জনপ্রিয় পত্রিকা নাগরিক এক্সপ্রেস এর পক্ষ থেকে সবাইকে পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । বর্তমানে সারা বাংলাদেশে আইডি কার্ড ধারি আমাদের কোন সংবাদ কর্মী নেই যারা আছেন তাদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাই উক্ত সাংবাদিকগণ আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন বলে বিবেচিত হবে না। যদি কারো আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে খুব শীঘ্রই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজ ই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.

যে জীবন ইতিহাস হয়ে ওঠে কবি – জেমস আব্দুর রহিম রানা

Reporter Name
  • আপডেট সময় : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৮ বার পঠিত

ছয় বছর বয়সে
তারেক রহমান জানতো না রাজনীতি,
জানতো শুধু—
মায়ের হাত শক্ত করে ধরতে হয়।
ঢাকার এক গৃহবন্দী ঘরে
বেগম খালেদা জিয়ার বুকের ভেতর
লুকিয়ে ছিলো সন্তান আর ভয়।
মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস
মৃত্যু তখন দরজায় দাঁড়িয়ে
নিঃশব্দে হিসাব কষতো।
এগারো বছরে আবার বন্দিত্ব,
এবার বাবা-মায়ের সাথে।
সিপাহি জনতার তিন দিনের বিদ্রোহ,
তিন যুগের সমান আতঙ্ক।
প্রতিটি সকাল ছিলো প্রশ্ন—
আজ কি শেষ?
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
সন্তানদের চোখে তখন
ছিলেন শুধু সাহসের ছায়া।
পনেরোতে এসে
নেমে এলো অন্ধকার।
চলে গেলেন জিয়া—
রাষ্ট্রনায়ক, বাবা, আশ্রয়।
একটি কিশোর
হঠাৎ এতিম হয়ে বুঝে গেলো—
এই দেশে ক্ষমতার মূল্য
সবচেয়ে আগে দেয় পরিবার।
বিশ পেরোতেই
তারেক দেখলো
দুই ভাইকে রেখে
কীভাবে খালেদা জিয়া
রাজপথ আর কারাগারে
নিজেকে ভেঙে দেন,
মায়ের চোখে তখন
ক্লান্তি নয়—প্রতিজ্ঞা।
চল্লিশে এসে ইতিহাস আরও নিষ্ঠুর,
ভাই, মা—সবাই কারাগারে।
তারেকের মাজার হাড় ভাঙে,
ভাইকে ঠেলে দেওয়া হয়
ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে।
খালেদা জিয়া—
একাই বন্দি
ভুতুড়ে এক কারাগারে,
যেখানে একমাত্র কয়েদি
একজন মা।
লন্ডনে যায় তারেক রহমান,
মালয়েশিয়ায় ভাই।
একজন বাঁচে,
অন্যজন পারে না।
বড় ভাই—
যাকে পরিবারে ডাকা হতো বাবার নামে,
সে দূর থেকে দেখে
নিজের ছোট ভাইয়ের জানাজা।
মাটি ছোঁয়া হয় না,
শুধু বুকের ভেতর কিছু একটা চিরদিনের মতো ভেঙে যায়।
পঞ্চাশে এসে
দেখে খালেদা জিয়া
বৃদ্ধ, অসুস্থ, একাকী—
পরিত্যক্ত এক কারাগারে
মৃত্যুর সাথে লড়ছেন।
তারপর আসে আল্লাহর রহমত,
জুলাই আসে।
মা বের হন,
কিন্তু সন্তানের কাছে নয়।
শেষবারের মতো
মা-ছেলে একসাথে কিছুদিন,
তারপর বিদায়।
তারেকও ফেরেন দেশে—
কিন্তু সময় দেয় না বিধাতা।
এক সপ্তাহেই
চলে যান
মমতাময়ী মা
বেগম খালেদা জিয়া।
এখন আর কেউ নেই।
জিয়াউর রহমান নেই,
ছোট ভাই নেই,
মা নেই।
তবু তারেক রহমান দাঁড়িয়ে থাকেন—
একাকী, নীরব, অবিচল।
জীবন তাকে কী দিয়েছে?
যা দিয়েছে,
তারচেয়ে হাজার সহস্র গুণ
কেড়ে নিয়েছে।
তবু সে ভাঙেনি—
কারণ কিছু মানুষ
শুধু মানুষ নয়,
তারা সময়ের সাক্ষ্য,
তারা ইতিহাস।

জেমস আব্দুর রহিম রানা
মণিরামপুর, যশোর।
মোবাইল: ০১৩০০৮৩২৮৬৮

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর