1. admin@nagorikexpress.com : admin :
২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| দুপুর ২:৫২|
নোটিশ :
পরিচালনা পরিষদ: সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে আজই আপনার বায়োডাটা আমাদের ইমেইল এড্রেস এ পাঠিয়ে দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন. আপনার প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান বিজ্ঞাপন আমাদের পত্রিকায় দিতে পারেন প্রতিটা পত্রিকার সাথে আমাদের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন এবং আপনার বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন প্রতিটা নিউজের সাথে এবং বিজ্ঞাপনের সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের . সকলের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। দ্রুত আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন জনপ্রিয় পত্রিকা নাগরিক এক্সপ্রেস এর পক্ষ থেকে সবাইকে পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । বর্তমানে সারা বাংলাদেশে আইডি কার্ড ধারি আমাদের কোন সংবাদ কর্মী নেই যারা আছেন তাদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাই উক্ত সাংবাদিকগণ আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন বলে বিবেচিত হবে না। যদি কারো আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে খুব শীঘ্রই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজ ই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.

চীরকুট লিখে চা দোকানীর আত্নহত্যার ঘটনায় সুদেকারবারী গ্রেফতার ।

Reporter Name
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৮৭ বার পঠিত

মোঃ আকিদুল ইসলাম সেলিম ঝিনাইদহ ।

ঝিনাইদহের সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নে সুদখোরদের নির্যাতেন চিরকুট লিখে আত্নহত্যাকারী সিরাজুল ইসলাম সুরুজের স্ত্রীর দায়ের করা মামলার ছয় আসামীর অন্যতম আসামী সুদখোর তরিকুল ইসলাম পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা বাজার থেকে মামলার অন্যতম আসামী তরিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে চিরকুট লিখে সুদখোরদের নির্যাতনে আত্নহত্যা করেন হলিধানী ইউনিয়নের সিরাজুল ইলসলাম সুরুজ নামে এক চা দোকনী। এই ঘটনার পরে জেলার স্থানীয় পত্র-পত্রিকা সহ বেশ কিছু
জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে আত্নহনণকারী
সিরাজুল ইসলাম সুরুজের স্ত্রী সফুরা খাতুন বাদী হয়ে থানায় আত্নহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন।

মামলায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাসনাহাটি
গ্রামের শহর আলী মুন্সির ছেলে তরিকুল ইসলাম সহ সদর থানার হলিধানী ইউনিয়নের কুখ্যাত সুদখোর কোলা গ্রামের আবু বক্কর মাষ্টারের ছেলে ফারুক ডাক্তার, হলিধানী বাজারের লুৎফর রহমানের ছেলে আনিছুর রহমান আনিচ ও সোনারদাইড় গ্রামের সৈয়দ
আলী মেম্বরের ছেলে মতিয়ার রহমান সহ ৬ জনকে আসামী করেন। সফুরা খাতুন তার এজাহারে উল্লেখ করেন, তার স্বামী সুরুজের হলিধানী বাজারে কনফেকশনারীর দোকান আছে।

ব্যবসাায়ীক প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় উল্লেখিত আসামীদের কাছ থেকে টাকা ধার করে ব্যবসা বানিজ্য করতেন। ধারের এই টাকা পরিশোধও করে দেন। কিন্তু হঠাৎ একদিন আসামীরা জোটবদ্ধ হয়ে বাদীর বাড়িতে প্রবেশ করে তার ছেলে সাজেদুল ইসলাম শাকিলের হাতে একটি লিগ্যাল নোটিশ ধরিয়ে দেন। তখন আমার স্বামী ও ছেলে ধারের টাকা সম্পুর্ন পরিশোধ করার কথা জানালে আসামীরা আমার বাড়ির উঠানে
দাড়িয়ে বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ করে। এতে আমার স্বামী সুরুজ মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ে এবং গত ৮ সেপ্টম্বর বাড়ির দুই তলার ঘরে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে।সফুরা খাতুনের অভিযোগ আমার স্বামীর আত্মহত্যার পেছনে আসামীদের প্রকাশ্যে
হাত রয়েছে। তাদের প্ররোচনায় আমার স্বামী আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে।

আত্মহত্যার সময় সুরুজের পকেটে পাওয়া চিরকুটে উল্লেখ ছিল “সুদখোরদের অত্যাচারে বাঁচতে পারলাম না, আমার জায়গা-জমি বাড়ি সব বিক্রি করে দিয়েছি।
একেক জনের কাছ থেকে যে টাকা নেওয়া তার সাত আট দশগুণ পরিমাণ টাকা দিয়েও রেহাই দিলো না তারা। কেউ কেস করেছে কেউ কেউ অপমান অপদস্ত করেছে আমি আর সহ্য করতে পারছিনা তাই বিদায় নিলাম। আমার জানাযা হবে কিনা জানিনা। যদি হয়
তখন সব সুদখোররা টাকা চাইতে এলে আমার শরীরটাকে কেটে ওদেরকে দিয়ে দিবেন।
এই সুদখোরদের বিচার আল্লাহ করবে। সুদখোরদের নাম বললাম না কিন্তু তারা সবাই টাকার জন্য আসবে। তখন বুঝতে পারবেন তারা কারা আমি ক্ষমার অযোগ্য তবু ক্ষমা করেদিবেন”।

এদিকে সুরুজ আত্মহত্যার পর থেকেই হলিধানী এলাকার চিহ্নিত সুদখোররা এলাকা ছেড়েছে বলে পুলিশ জানায়। ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আবিদুর রহমান জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর হলিধানী এলাকায় ঋণের চাপে চিরকুট
লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন সিরাজুল ইসলাম সুরুজ নামের এক চা দোকানী। পরবর্তীতে সিরাজুল ইসলাম সুরুজের স্ত্রী ছফুরা খাতুন বাদী হয়ে
ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি তদন্ত করে এজাহার নামীয় আসামী তরিকুলকে আমরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। বাকি আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর