
ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রবাসী তৌফিক ফকির প্রায় ১৫ বছর আগে বিয়ে করেছিলেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাউলীবেড়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের হান্নান মিয়ার মেয়ে নুসাইবা আক্তারকে । ভালোই কাটছিল তাদের দাম্পত্য জীবন। এরই মধ্যে জন্মগ্রহন করে দুই সন্তান। কিন্তু সুখ তার বেশীদিন স্থায়ী হয়নি। নিজেরই বোন জামাই সাজানো সংসারে সিঁদ কেটে প্রবেশ করে। ছোট বোন ঝর্ণা আক্তার ভালবেসে বিয়ে করেছিল একই এলাকার রফিকুল ইসলাম ফয়সালকে। তাদের সংসারেও জন্ম নেয় ফুটফুটে দুই সন্তান। তৌফিক ফকির প্রবাসে থাকার সুযোগে শ্বশুর বাড়িতে এসে দুশ্চারিত্রিক ফয়সাল ভালবেসে বিয়ে করা স্ত্রী থাকা সত্যেও নুশাইবার সাথে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলে। 

Oplus_16908288

Oplus_16908288
আজ দুপুরে ওই স্ত্রীর স্বামী তৌফিক ফকির সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। দুই পরিবারের মাঝে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উত্তেজনা। সাংবাদিকদের নিকট ঘটনার বর্ননা দিয়ে বোন ঝর্না বেগম ভালোবেসে বিয়ে করা সত্যেও স্বামী ফয়সাল এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নানা অত্যাচারের কথা তুলে ধরেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য সারে ব্যাপারী জানান,ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়। এ নিয়ে দুটি পরিবারই ধ্বংস হচ্ছে। এর সমাধান করা উচিত। দুটি পরিবারের মাঝে পরকীয়ার ঘটনার ফলে এলাকায় অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই প্রবাসী তৌফিক ফকির।
ভাঙ্গা থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৫ বছর পূর্বে সিংগাপুর প্রবাসী তৌফিক ফকির বিয়ে করেন নিশ্চিন্তপুর গ্রামের হান্নান মিয়ার মেয়ে নুসাইবা আক্তারকে। কিছুদিন সংসার করে ওই প্রবাসী সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমালে রফিকুল ইসলাম ফয়সাল পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে ওই পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার সহ মোট ২৪ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে উধাও হয় প্রবাসীর স্ত্রী।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফ হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Oplus_16908288

Oplus_16908288
