
পাবনা সাথিয়া প্রতিনিধি মো: আব্দুর রউফ
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বেড়া উপজেলা সদরের সান্যালপাড়া সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে আলহাজ্ব ফজলুর রহমান ফকিরের সভাপতিত্বে সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষ সর্বসম্মতিক্রমে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- বেড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন ইকবাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আকছেদ আলী, পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সাজেদুল ইসলাম দিপু, বণিক সমিতির প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম, রিকশাভ্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন খাজা, চতুহাট বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহীন মোল্লাসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি।
আন্দোলনকারীরা বলেন, সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে শুধু সাঁথিয়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-১ আসন আলাদা করা হয়েছে। আর বেড়া উপজেলাকে পৃথক করে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু বেড়া উপজেলার জনগণের ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছু সাঁথিয়ার সঙ্গে যুক্ত। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’
বেড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান ফকির বলেন, ‘আমরা ৫০ বছর ধরে পাবনা-১ আসন সাঁথিয়ার সঙ্গে বেড়া উপজেলা মিলেমিশে আছি। দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন এটি। অথচ কি কারণে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলাকে বাদ দিয়ে আমাদের পাবনা-২ আসনের সঙ্গে দেয়া হলো তা বোধগম্য নয়। আমরা এটা মানি না। অবিলম্বে গেজেট বাতিল করে পাবনা-১ আসনকে পুনর্বহাল করতে হবে। আমাদের দাবি না মানায় আগামীকাল রোববার বেড়া উপজেলায় সকাল সন্ধ্যা হরতাল এবং সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ আগস্ট ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনের চূড়ান্ত সীমানার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত পাবনা-১ আসন সংশোধন করে শুধু সাঁথিয়া উপজেলাকে নিয়ে পাবনা-১ আসন করা হয়েছে এবং পাবনা-২ আসনের (সুজানগর ও বেড়া উপজেলার একাংশ) সঙ্গে বেড়া উপজেলাকে পুরোপুরি সংযুক্ত করা হয়েছে।
এরপর থেকে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বেড়া উপজেলাবাসী। তারা পাবনা-১ (সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলার আংশিক) সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে গত ৭ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক দুই ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।