1. admin@nagorikexpress.com : admin :
২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| ভোর ৫:৫২|
নোটিশ :
পরিচালনা পরিষদ: সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে আজই আপনার বায়োডাটা আমাদের ইমেইল এড্রেস এ পাঠিয়ে দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন. আপনার প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান বিজ্ঞাপন আমাদের পত্রিকায় দিতে পারেন প্রতিটা পত্রিকার সাথে আমাদের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন এবং আপনার বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন প্রতিটা নিউজের সাথে এবং বিজ্ঞাপনের সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের . সকলের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। দ্রুত আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন জনপ্রিয় পত্রিকা নাগরিক এক্সপ্রেস এর পক্ষ থেকে সবাইকে পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । বর্তমানে সারা বাংলাদেশে আইডি কার্ড ধারি আমাদের কোন সংবাদ কর্মী নেই যারা আছেন তাদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাই উক্ত সাংবাদিকগণ আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন বলে বিবেচিত হবে না। যদি কারো আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে খুব শীঘ্রই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজ ই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.

শেখ হাসিনা— চার দশকের রাজনৈতিক জীবন, শেষে ফাঁসির দণ্ড

Reporter Name
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২০৬ বার পঠিত

অনেকের কাছে স্বৈরাচারের প্রতীক শেখ হাসিনা। কারও ভাষায় ফ্যাসিস্ট। আবার সমর্থকদের কাছে তিনি উন্নয়নের কর্ণধার। চব্বিশের পাঁচ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পালিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্তও তার ছিল দোর্দণ্ড প্রতাপ। তবে এই গল্প সহসাই তৈরি হয়নি। প্রায় ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে দলের সভাপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী বনে যাওয়া শেখ হাসিনা ছিলেন বাংলাদেশের দীর্ঘতম সময় রাষ্ট্র পরিচালনাকারী।

পিতা শেখ মুজিবর রহমানের কন্যা হিসেবেই হাল ধরেছিলেন বেহাল আওয়ামী লীগের। সভাপতি হিসেবে নেতৃত্বে আসেন ১৯৮১ সালে। এর আগে, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের নৃশংসতার পর ছয় বছর কেটেছে অনেকটা নির্বাসনে। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হন কর্মী ও সমর্থকদের কাছে।

Logo
Live
হোম জাতীয় রাজনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলাধুলা বিনোদন মতামত
জাতীয়

শেখ হাসিনা— চার দশকের রাজনৈতিক জীবন, শেষে ফাঁসির দণ্ড
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৪৮ পিএম

facebook sharing buttonmessenger sharing buttontwitter sharing buttonwhatsapp sharing buttonprint sharing buttoncopy sharing button
ad-img
শেখ হাসিনা— চার দশকের রাজনৈতিক জীবন, শেষে ফাঁসির দণ্ড
আরও দেখুন
বিনোদন কেন্দ্র
টেলিভিশন
টিভি
অনেকের কাছে স্বৈরাচারের প্রতীক শেখ হাসিনা। কারও ভাষায় ফ্যাসিস্ট। আবার সমর্থকদের কাছে তিনি উন্নয়নের কর্ণধার। চব্বিশের পাঁচ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পালিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্তও তার ছিল দোর্দণ্ড প্রতাপ। তবে এই গল্প সহসাই তৈরি হয়নি। প্রায় ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে দলের সভাপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী বনে যাওয়া শেখ হাসিনা ছিলেন বাংলাদেশের দীর্ঘতম সময় রাষ্ট্র পরিচালনাকারী।

আরও দেখুন
বিনোদন কেন্দ্র
টিভি
টেলিভিশন
পিতা শেখ মুজিবর রহমানের কন্যা হিসেবেই হাল ধরেছিলেন বেহাল আওয়ামী লীগের। সভাপতি হিসেবে নেতৃত্বে আসেন ১৯৮১ সালে। এর আগে, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের নৃশংসতার পর ছয় বছর কেটেছে অনেকটা নির্বাসনে। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হন কর্মী ও সমর্থকদের কাছে।

৮০’র দশকের শেষার্ধে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তার ছিল জোরালো অবস্থান। ১৯৯১ এর সংসদ নির্বাচনে দল হেরে গেলেও ফল ঘরে তোলেন ৯৬’র জুনে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় নির্বাচনে। সেবারই প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি।

এক মেয়াদ পর ২০০৮ সালে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে আবারও ক্ষমতায় আসেন শেখ হাসিনা। ২০০ এর বেশি আসন, অসীম ক্ষমতাধর করে তোলে আওয়ামী লীগকে। সংবিধানে কাটাছেড়া, আর বলয় তৈরি করে ক্ষেত্র তৈরি করেন দীর্ঘ মেয়াদে থাকার। সময়ের সঙ্গে রাষ্ট্র হয়ে ওঠে প্রধানমন্ত্রী তথা শেখ হাসিনা কেন্দ্রিক।

২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে, তিন দফায় একেকবার একেক কৌশলে নিজের আসন টলতে দেননি তিনি। কখনো বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় কখনো রাতের আধারে, কখনো নিজের মধ্যে প্রতিযোগিতার নাটকীয় জয় আরও আগ্রাসী করে শেখ হাসিনাকে।

২০২৪ সালে জনমানুষের সব ক্ষোভ গিয়ে রাজপথে মিলিত হয় শিক্ষার্থীদের সাথে। কোটার দাবিতে আন্দোলন পরিণত হয় রাষ্ট্রের বৈষম্য দুরীকরণের হাতিয়ার হিসেবে। সরকারী নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মুহূর্মুহু গুলি বাড়িয়ে দেয় বিক্ষোভের মাত্রা। প্রাণ যায় কয়েকশো মানুষের। তবু ক্ষমতায় টিকে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা চালান শেখ হাসিনা।
শেষ পর্যন্ত ক্ষোভে ফেটে পড়া জনস্রোত, তার সে আশা পুরোনো হতে দেয়নি। গণভবনে মানুষের ঢল পৌছানোর আগেই ভারত চলে যান দাপুটে প্রতাপশালী এই নেতা।

মূলত, অধ্যাপক ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে শুরু হয় জুলাই গণহত্যার বিচার। বেশ কয়েকটি মামলার প্রধান আসামি শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে আদালতের দণ্ড, ক্ষমতার অপব্যবহারের এক বাস্তব দৃষ্টান্তই স্থাপন করেছিলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, যুগে যুগে বিশ্বের অনেক স্বৈরশাসকের শেষ পরিণতি হয়েছে ফাঁসি কিংবা কারাবাস। শেখ হাসিনা এখন অবস্থান করছেন ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। এমনিতেই ভারত তাকে সহসা ফেরত পাঠাবে কিনা, তা নিয়ে শুরু থেকেই ছিল সংশয়। এবার রায়ের পর ট্রাইব্যুনাল ইন্টারপোলের দারস্থ হলে শেখ হাসিনার পরিণতি কী হয়, তা-ই এখন দেখার অপেক্ষা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর