
শামীম আহমেদ জয় :
চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানা পুলিশ অভিযানে ৯১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে ২টি জিআর সাজা পরোয়ানা এবং আরও ২টি জিআর পরোয়ানা কার্যকর ছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত ১০টা ৫০ মিনিটে মতলব উত্তর থানার ওসি মো কামরুল হাসানে নেতৃত্বে এস আই জাফর, এস আই মাহফুজ রহমান সহ একাধিক টিম নিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড ফতেপুর উত্তর পাড়ায় মো. ইমরুল হোসেন প্রধানের বসতঘরের ড্রয়িংরুম থেকে মো. জনি খান (৩৮) ও মো. ইমরুল হোসেন প্রধান (৪০) কে গ্রেপ্তার করা হয়।
দেহ তল্লাশীকালে মো. জনি খানের পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে ১২টি জিপারযুক্ত পলিব্যাগে রাখা ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় অপরদিকে মো. ইমরুল হোসেন প্রধানের কাছ থেকে ৭টি জিপারযুক্ত পলিব্যাগে রাখা মোট ৩১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সর্বমোট উদ্ধারকৃত ইয়াবার সংখ্যা ৯১০ পিস।
এ ঘটনায় মতলব উত্তর থানায় এফআইআর নং-৫২ ও জিআর নং-৫২ (তারিখ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬) মূলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(ক) ও ৪১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুল হাসান বলেন, মতলব উত্তর থানা এলাকায় মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা যতই কৌশলী হোক, কাউকেই আইনের আওতার বাইরে থাকতে দেওয়া হবে না। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আটকৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এলাকাতে এবং জানাজায় জনি দীর্ঘদিন যাবত মাথাভাঙ্গা এলাকায় মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে এবং তার চাচাতো ভাই ও এর সাথে জড়িত বলে জানা যায় তার চাচাতো ভাই ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক পোস্টে আছেন।
আটক হওয়ার পরে জনগণের প্রশ্ন ওঠে এতদিন কেন তাদেরকে গ্রেফতার করা হলো না তারা এলাকায় মাদক ব্যবসার বিস্তার ছড়িয়ে দিয়েছে ছোট ছোট ছেলের হাতে ইয়াবা তুলে দিয়েছে।
জনি মোহনপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতার ভাই যুবদল নেতা সাথে জড়িত আছি কিনা তা খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী