1. admin@nagorikexpress.com : admin :
২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| রাত ৪:৩৬|
নোটিশ :
পরিচালনা পরিষদ: সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে আজই আপনার বায়োডাটা আমাদের ইমেইল এড্রেস এ পাঠিয়ে দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন. আপনার প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান বিজ্ঞাপন আমাদের পত্রিকায় দিতে পারেন প্রতিটা পত্রিকার সাথে আমাদের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন এবং আপনার বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন প্রতিটা নিউজের সাথে এবং বিজ্ঞাপনের সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের . সকলের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। দ্রুত আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন জনপ্রিয় পত্রিকা নাগরিক এক্সপ্রেস এর পক্ষ থেকে সবাইকে পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । বর্তমানে সারা বাংলাদেশে আইডি কার্ড ধারি আমাদের কোন সংবাদ কর্মী নেই যারা আছেন তাদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাই উক্ত সাংবাদিকগণ আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন বলে বিবেচিত হবে না। যদি কারো আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে খুব শীঘ্রই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজ ই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.

অফিসিয়াল স্মার্টফোনের দাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে সিন্ডিকেটের কারণে

Reporter Name
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫১ বার পঠিত

স্মার্টফোনের ক্রমবর্ধমান দাম ও বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন নিচে তুলে ধরা হলো:
প্রতিবেদন: স্মার্টফোনের ক্রমবর্ধমান মূল্য বৃদ্ধি—কারণ ও বর্তমান বাজার পরিস্থিতি
প্রতিবেদক:

তারিখ: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ

একবিংশ শতাব্দীতে স্মার্টফোন এখন কেবল বিলাসী পণ্য নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অঙ্গে পরিণত হয়েছে। তবে গত কয়েক বছরে বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষ করে বাংলাদেশের বাজারে স্মার্টফোনের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একসময় যে ফিচারের ফোন ১৫-২০ হাজার টাকায় পাওয়া যেত, বর্তমানে তার জন্য গুনতে হচ্ছে ২৫-৩০ হাজার টাকা। এই মূল্য বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে বৈশ্বিক সংকট, প্রযুক্তির বিবর্তন এবং স্থানীয় বাজার ব্যবস্থার জটিল সমীকরণ।
মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণসমূহ
১. মেমোরি চিপ ও সেমিকন্ডাক্টর সংকট:
স্মার্টফোনের প্রাণ হলো প্রসেসর এবং মেমোরি (DRAM ও NAND Flash)। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে বিশ্বজুড়ে এই মেমোরি চিপের দাম প্রায় ১৫% থেকে ৩০% বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI প্রযুক্তির ব্যাপক চাহিদার কারণে বড় বড় কোম্পানিগুলো সেমিকন্ডাক্টর ব্যবহারে অগ্রাধিকার পাচ্ছে, যার ফলে সাধারণ স্মার্টফোনের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির সংযোজন:
আধুনিক স্মার্টফোনগুলোতে এখন অন-ডিভাইস AI ফিচার যোগ করা হচ্ছে। উন্নত নিউরাল ইঞ্জিন ও শক্তিশালী হার্ডওয়্যার ব্যবহারের ফলে ফোনের উৎপাদন খরচ সরাসরি প্রভাবিত হচ্ছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে দেখা গেছে, AI ফিচারের আধিক্যের কারণে প্রতিটি স্মার্টফোনের দাম গড়ে ৬% থেকে ৯% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
৩. কাঁচামালের ঊর্ধ্বগতি:
স্মার্টফোন তৈরিতে ব্যবহৃত লিথিয়াম, কোবাল্ট এবং কপারসহ বিভিন্ন বিরল ধাতুর দাম আন্তর্জাতিক বাজারে স্থিতিশীল নয়। পরিবহন ও লজিস্টিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক সাপ্লাই চেইন খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে।
৪. স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও ট্যাক্স কাঠামো:
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া স্মার্টফোনের দাম বাড়ার অন্যতম বড় কারণ। যদিও ২০২৬ সালের শুরুতে সরকার আমদানিকৃত মোবাইলের ওপর শুল্ক ২৫% থেকে কমিয়ে ১০% করেছে, তবুও ডলারের উচ্চমূল্য এবং আমদানিতে এলসি (LC) জটিলতার কারণে ক্রেতারা প্রত্যাশিত সুফল পুরোপুরি পাচ্ছেন না।
বাজার প্রভাব ও ক্রেতাদের প্রতিক্রিয়া
স্মার্টফোনের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মধ্যবিত্ত ও তরুণ প্রজন্মের বাজেটে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। ক্রেতারা এখন নতুন ফোন কেনার চেয়ে পুরনো ফোন মেরামত করে চালানো বা ব্যবহৃত ফোন (Used Phone) কেনার দিকে বেশি ঝুঁকছেন। বিশেষ করে বাজেট সেগমেন্টের (১০-২০ হাজার টাকা) ফোনগুলোর দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
উত্তরণের উপায় ও সরকারি পদক্ষেপ
স্মার্টফোনের দাম সাধারণ মানুষের নাগালে রাখতে সরকার সম্প্রতি কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে:
শুল্ক হ্রাস: ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আমদানিকৃত ফিনিশড হ্যান্ডসেট এবং স্থানীয় অ্যাসেম্বলিংয়ের কাঁচামালের ওপর শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে।
NEIR পদ্ধতি বাস্তবায়ন: অবৈধ পথে বা গ্রে-মার্কেটের ফোন আসা বন্ধ করতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (NEIR) ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে, যা বৈধ আমদানিকারকদের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করছে।
উপসংহার
স্মার্টফোনের দাম বৃদ্ধি কেবল স্থানীয় সমস্যা নয়, এটি একটি বৈশ্বিক প্রবণতা। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কর সমন্বয় এবং উৎপাদন খরচ কমাতে পারলে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। প্রযুক্তির এই যুগে স্মার্টফোনকে সহজলভ্য রাখতে হলে সরকারি তদারকি এবং আমদানিকারকদের সদিচ্ছা অত্যন্ত জরুরি।
সুপারিশসমূহ:
১. স্থানীয় স্মার্টফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও ভর্তুকি প্রদান করা।
২. বাজারে সিন্ডিকেট বা কৃত্রিম সংকট রোধে নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করা।
৩. সাশ্রয়ী মূল্যের ৫জি (5G) ফোন সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর