1. admin@nagorikexpress.com : admin :
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
পরিচালনা পরিষদ: জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে। নাগরিক এক্সপ্রেস এর আইডি কার্ড এর মেয়াদ সম্পূর্ণ কোন সাংবাদিক নেই . সকলের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ। দ্রুত আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন জনপ্রিয় পত্রিকা নাগরিক এক্সপ্রেস এর পক্ষ থেকে সবাইকে পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । বর্তমানে সারা বাংলাদেশে আইডি কার্ড ধারি আমাদের কোন সংবাদ কর্মী নেই যারা আছেন তাদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাই উক্ত সাংবাদিকগণ আমাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন বলে বিবেচিত হবে না। যদি কারো আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় তাহলে খুব শীঘ্রই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? আপনি কি সমাজের সমস্ত অন্যায় অপরাধ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিখতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন. নিরপেক্ষ সংবাদ এর সন্ধানে। আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি আমাদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন অথবা নিচে দেওয়া আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আজ ই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন.
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় মৎস্যজীবিদের মাঝে বিনামূল্যে উপকরণ ও স্মার্ট আইডি কার্ড  বিতরণ  ভাঙ্গায় ধর্ষণের ঘটনায়  প্রবাসী নারী ৪ মাসের অন্তঃস্বত্তাঃ ধর্ষক শ্রীঘরে মাদারীপুরে দুগ্ধপোষ্য ২ সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে মানসিক ভারসাম্যহীন এক মা ভাঙ্গায় নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উই প্রকল্পের  দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা কোটা বহালের প্রতিবাদে ৪র্থ দিনে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ  কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির নিউজ করায় শীর্ষ সন্ত্রাসী পরিচয়ে ফোন দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি। আগামী নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে নৌকাকে নির্বাচিত করে প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিব ভাঙ্গায় ফুলেল শুভেচ্ছায় বরন করা হলো নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান- সদস্যদের পূর্বশত্রুতার জেরে এক যুবকের হাত কুপিয়ে হাতের কব্জি ফেলে দিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। মাদারীপুরে মাফিয়া মিলনের বিচারের দাবিতে ভূক্তভূগীদের সংবাদ সম্মেলন

আশুলিয়ায় অর্ধকোটি টাকার জমি কিনে বিপাকে ব্যবসায়ী

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০২৩
  • ১৬১ বার পঠিত

আব্দুল কাইয়ুম,সাভার(ঢাকা)

প্রায় অর্ধকোটি টাকার বিনিময়ে বোনের জমি কিনে বিপাকে পড়েছেন আশুলিয়ার এক ব্যবসায়ী। জমি কেনার পর দীর্ঘ সময় ব্যয় হলেও এখনও নিজের জমিতে যেতে পারছেন না তিনি। বোন ও ভাগ্নেদের বিরুদ্ধে জমি অবৈধভাবে দখলে রাখার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। দখল চাইলে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে হয়রানিরও অভিযোগ উঠেছে সেই সেই বোন ও ভাগ্নেদের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার রূপায়ণ ১ নং গেট সংলগ্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সেই জমিতে বাস করছেন অভিযুক্ত বোন ও তার পরিবার।

অভিযুক্তরা হল, আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার আবুল কাশেমের স্ত্রী সমলা খাতুন ওরফে জামিনা বেগম ও তাদের ছেলে সুলতান আহমেদ (৪০) ও রতন মিয়া (৩৫)। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জামগড়ার হাজী মো: চান মিয়ার ছেলে মো: নূরে আলম। জামিনা বেগম চাচাত বোন এবং সুলতান ও রতন মিয়া ভুক্তভোগীর সম্পর্কে ভাগিনা হয়।

ভুক্তভোগী নূরে আলম বলেন, আমার চাচাতো বোনের জমি এর আগে জামগড়ার এক ব্যবসায়ী হালিম চৌধুরীর কাছে টাকার বিনিময়ে আম-মোক্তার (পাওয়ার) হিসেবে দিয়েছিল। টাকা পরিশোধ করতে না পারায় হালিম চৌধুরী সেই জমি বিক্রি করে দিতে চাইলে আমার বোন আমাকে অনুরোধ করে সেই জমি যেন আমি কিনে রাখি। পরে টাকা জোগাড় করতে পারলে আমার কাছ থেকে সেই জমি ফেরত নেবে। আমি অনেক কষ্ট করে টাকা দিয়ে জমিটি তখন কিনে রাখি। পরে আমাকে টাকা না দিতে পারায় আমি জমিতে দখলে নিতে চাই। কিন্তু তারা টালবাহানা শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, আমি যদিও ভেবে রেখেছিলাম যে তারা টাকা পরিশোধ করলে তাদের জমি পুনরায় তাদের ফেরত দিবো। জমিটি কিনতে ২ বছর আগে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মত খরচ হয়েছে। আমার জমি আমাকে না দিয়ে উল্টো আমাকে গালিগালাজ করা হয় এমনকি গত বছর আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে তারা। আমার জমি আমাকে না দেয়ার জন্য এসব পায়তারা শুরু করেছে। আমাকে তো টাকাও দেয়নি। উলটো আরও টাকা দাবি করছে তারা। আমার তো সম্পর্কে বোন লাগে এজন্য আমি তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে পারছি না তাদের তাড়িয়ে দিতে পারছি না। তারা আমার এই দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে।

বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির সামনে সেই জমিতেই একটি দোকানে ক্ষুদ্র ব্যবসা করেন নুরে আলমের ভাগিনা অভিযুক্ত রতন মিয়া। কথা হয় তার সাথে। রতন মিয়া বলেন, হালিম চৌধুরীর কাছে আমরা জমি বিক্রি করিনি। তাকে টাকার বিনিময়ে তাকে শুধুমাত্র পাওয়ার দেয়া ছিল টাকা শোধ করলে সেই পাওয়ার বাতিল হবে এরকম একটা ডিডও করা ছিল। ৩০ লাখ টাকার মধ্যে আমরা ১৩-১৪ লাখ টাকার মতো পরিশোধ করেছি। পরে আমাদের জমি কিভাবে আমার মামা নূরে আলম নিয়ে নেন আমরা জানিনা। আমরা আদালতে মামলা করেছি, মামলায় যেই রায় আসবে আমরা সেই রায় মেনে নিব।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে হালিম চৌধুরী বলেন ব্যক্তিগতভাবে আমার সঙ্গে টাকা পয়সার কোন লেনদেন ছিল না সুলতান ও রতনের। আমি টাকা পরিশোধ করেই জমি তাদের কাছ থেকে কিনে নিয়েছি। তারা যেই টাকা পয়সা বাকি বা লেনদেনের কথা বলছে সেটি একটি সমবায় সমিতির সাথে। আমি সে সমিতির পরিচালক ছিলাম। তারা আমার বিরুদ্ধে সমবায় সমিতি অধিদপ্তরেও অভিযোগ দিয়েছিল সেখান থেকেও আমি বেশ সমস্যায় পড়েছি আবার আমার নামেও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনানুগ ভাবেই আমি জমি কিনেছি ও জমি বিক্রি করেছি। নূরে আলম তার বোনের কাছ থেকে জমি বুঝে নিবে এ রকমই শর্ত ছিল যেহেতু তারা চাচাতো ভাই বোন। কিন্তু এখন সেই বোনের ছেলেরা সমস্যা তৈরী করছে।

অভিযুক্তদের এমন করার কারণ কি জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, নুর আলমের ভাগিনা সুলতান এর আগে ব্যবসা করে বিভিন্ন মানুষের কাছে টাকা দিয়ে প্রচুর লস করেছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক চেক ডিজঅনারের মামলা রয়েছে এবং সেই মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি সুলতান। গ্রেপ্তার এড়াতে সে এই এলাকায় থাকেওনা। জমি কেন্দ্রিক টাকা পয়সা যা পেয়েছে সব সুলতানই নষ্ট করেছে, হয়ত তার ভাই রতন কোন টাকা পয়সা পায়নি। এইজন্য এখন রতন আবার কিছু টাকা দাবি করছে।আমি যতদূর জানি জমি কেনার সময় নূরে আলম সাহেবের প্রায় ৪৩-৪৫ লাখ টাকার মত খরচ হয়েছে। তিনি আরো টাকা কিভাবে দেন?

নুর আলম জানান সর্বশেষ এই বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়ার কাছে জানানো হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা না হলে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানান তিনি।

এ নিয়ে আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে ভুক্তভোগী নুরে আলম। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার এসআই সুব্রত রায় বলেন, এ ব্যাপারে থানায় একটি জিডি হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এ ব্যাপারে ইয়ারপুর ইউপি চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভাইয়া বলেন, আমি এই জমির সমস্যার ব্যাপারে জানি। যেহেতু আমার কাছে মীমাংসার জন্য বলা হয়েছে আমি দুই পক্ষের সাথেই কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৩১ মার্চ হালিম ও সেলিমের কাছ থেকে দিয়াখালী মৌজার ৪ দশমিক ২০ শতাংশ জমি কিনে নেন নূরে আলম। বর্তমানে তার নামেই বিএস রেকর্ড থাকায় সে অনুযায়ী তিনি সমস্ত খাজনা পরিশোধ করে আসছেন নুরে আলম। এর আগে ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর সুলতান ও রতন জমিটি আঃ হালিম ও সেলিম চৌধুরীকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল করে দিয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© নাগরিক এক্সপ্রেস । সর্বসত্ব সংরক্ষিত। নাগরিক এক্সপ্রেস এর প্রকাশিত প্রচলিত কোনো সংবাদ তথ্য ছবি আলোকচিত্র রেখা চিত্র ভিডিও চিত্র অডিও কনটেস্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামত এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ণ লেখক এর
Theme Customized By Shakil IT Park