
মো: তুহিন ফয়েজ, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসার কলাকান্দা গ্রামে
ঘর উঠাতে বাদা ও থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়,মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার কলাকান্দা গ্রামের মৃত হোসেন আহাম্মদ সরকারের ছেলে মো: অসিফ মাহামুদ এর কাছ থেকে ২০২১ সালে মৃত ইয়াদ আলীর ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী এরশাদ কাজীর মেয়ে কাজী রত্না আক্তার চরপালালোকদি মৌজার সাবেক ১৫০ হাল ২৩৭ দাগের মধ্যে ২৬ শতাংস জমির মধ্যে ৬ দশমিক ৫০ শতাংস জমি ক্রয়করেন ৷
পরবর্তিতে তারা একই গ্রামের আব্দুস সাত্তার এর ছেলে মো: জামাল হোসেনকে ২০২৫ সালে একটি আমমোক্তারনামা দলিল করে দেন ৷
দলিলে উল্লেখ করা হয় ।মোস্তাফিজুর রহমান, পিতা-মৃত ইয়াদ আলী, মাতা-মৃত খাদিজা বেগম, জন্মতারিখ- ০১/০১/১৯৮১ইং, সাং- প্রধানী মন্ডল রোড, দম্ভপাড়া, পোঃ নিশাত নগর, টঙ্গী, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর, হাল সাং- কলাকান্দা, পোঃ ছেংগারচর বাজার, থানা- মতলব উত্তর, জেলা- চাঁদপুর।
কাজী রতনা আক্তার, পতি- মোস্তাফিজুর রহমান, পিতা- আরশাদ কাজী, মাতা- রানু বেগম, সাং- কলাকান্দা, পোঃ ছেংগারচর বাজার, থানা-মতলব উত্তর, জেলা- চাঁদপুর, ধর্ম- ইসলাম, জাতীয়তা- বাংলাদেশী, পেশা-প্রবাসী।
আমমোক্তারনামা দলিলে বলা হয় যে, আমরা আমমোক্তারনামা দাতাদ্বয় খরিদ সূত্রে তপছিল বর্ণিত সম্পত্তিতে মালিক হইয়া ভোগ দখল করিয়া আসিতে থাকাবস্থায় আমরা আমমোক্তারনামা দাতাদ্বয় বর্তমানে জীবন জীবিকার তাগিদে প্রবাসে থাকিতে হয় বিধায় এবং বর্তমানে আমাদের মালিকীয় দখলীয় তপছিল বর্ণিত নালিশী ভূমির বিষয়ে মোকদ্দমা দায়ের করা প্রয়োজন বিধায় আমরা আমমোক্তারনামা দাতাদ্বয় এই মর্মে ঘোষণা করিতেছি যে, এক্ষণে আমাদের মালিকীয় দখলীয় উক্ত ভূমি সম্পর্কে
সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় এবং বিজ্ঞ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা প্রয়োজন বিধায় এবং আমরা আমমোক্তারনামা দাতাদ্বয় প্রবাসে থাকিতে হয় বিধায় আমরা আমমোক্তারনামা দাতাদ্বয় বিজ্ঞp আদালতে হাজির হইয়া মামলা পরিচালনা করা সম্ভব হইবে না বিধায় আমাদের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য আমি ১নং আমমোক্তারনামা দাতার ভায়রা ভাই এবং আমি ২নং আমমোক্তারনামা দাত্রীর বোনের জামাতা মোঃ জামাল হোসেন, পিতা- মোঃ আব্দুস সাত্তার, মাতা-দিলজান বেগম, সাং- কলাকান্দা, পোঃ ছেংগারচর বাজার, থানা- মতলব উত্তর, জেলা- চাঁদপুরকে আমাদের নামে ও আমাদের পক্ষে আমমোক্তার নিযুক্ত করিলাম। আমাদের নিযুক্তীয় আমমোক্তার গ্রহিতা আমাদের পক্ষে নিম্ন কাজগুলি
করিবেন।
আমমোক্তারনামা গ্রহিতা আমাদের জন্য ও আমাদের পক্ষ হইয়া আমার মালিকীয় দখলীয় ভূমি ও তদস্থিত গৃহাদি ও বসত বাড়ী দেখাশুনা ও রক্ষণা-বেক্ষণ করিবেন। তিনি আমাদের পক্ষে উক্ত ভূমি সম্পর্কে আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করিবেন এবং ওকালতনামায় দস্তখত দিয়া এডভোকেট নিযুক্ত করিয়া মোকদ্দমার সকল প্রকার তদবির করিবেন।
আমমোক্তারনামা গ্রহিতা মোকদ্দমার আরজি, জবাব, হাজিরা, ওকালতনামা, দরখাস্ত, ছোলেনামা, আপত্তি এফিডেভিট ইত্যাদিতে আমার পক্ষে স্বাক্ষর করিয়া বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করিতে পারিবেন এবং আমাদের পক্ষ হইয়া মোকদ্দমার সাক্ষ্য দিতে পারিবেন এবং মোকদ্দমার আদেশ ও রায় ডিক্রীর অসম্মতিতে আপীল, রিভিশান, রিভিউ দায়ের ও পরিচালনা করিতে পারিবেন।
আমাদের বিরুদ্ধে উক্ত ভূমি সম্পর্কে কোন মোকদ্দমা দায়ের হইলে তিনি উক্ত মোকদ্দমায়ও আমাদের পক্ষ হইয়া যাবতীয় তদবীর ও পরিচালনা করিবেন।
আমাদের নিযুক্তীয় আমমোক্তার কর্তৃক উপরোক্ত সকল কার্য্যসমূহ আমাদের নিজের কার্য্য বলিয়া গণ্য হইবে। অর্থাৎ আমাদের নিযুক্তীয় আমমোক্তার কর্তৃক উপরোক্ত বিষয় কোন কার্য্য সম্পাদিত হইলে প্রমাণিত হইবে যে, আমরা নিজেরাই উহা করিয়াছি।
তপছিল ভূমিঃ-
সাবেক জেলা ত্রিপুরা, পরবর্তীতে কুমিল্লা হালে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানাধীন সাবেক ৫৯ হালে ৬৪নং চরপালালোকদী মৌজার এস.এ ২৯৬, বি.এস চূড়ান্ত ৩৮, খারিজী ১৬৩৩নং খতিয়ানভূক্ত:- সাবেক ১৫০ হালে ২৩৭ দাগে নাল মোঃ ০৬৫০ একর ভূমি। যাহার চৌহুদ্দি উত্তরে-সোহেল সরকার গং, দক্ষিণে- রুহুল আমিন সরকার, পূর্বে- দাতা নিজ, পশ্চিমে- আক্রাম সরকার।
ভুক্তভোগী মো: জামাল হোসেন বলেন, উক্ত জায়গায় সোমবার একটি ঘর তৈরিকালে মৃত আদম আলী সরকারের ছেলে মো: আক্রাম হোসেন ও তার মেয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে হয়রানি করার চেষ্টা করেন ৷
এছাড়াও মো: আক্রাম হোসেন মো: জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে একাদিকবার বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন বলেও স্থানীয় সাংবাদিকদের কে জানান জামাল হোসেন ৷
তিনি জানান,মো: আক্রাম হোসেন তার ছেলে মো: সায়েদ সরকার, মেয়ে তানভিন আক্তার ও আক্রাম হোসেনের স্ত্রী সালেহা বেগম আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাকে দেখে নিবে বলে হোমকি দেন৷
আমি এব্যাপারে সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি ৷